এবার নৌকার তিন প্রার্থীর ভোট বর্জন!

ব্যালট ছিনতাইকালে পুলিশের গুলিতে ঢাবি ছাত্র নিহত
Share Button

তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের ৩টিতে প্রশাসনের অসহযোগীতার অভিযোগে ভোট বর্জন করেছেন ক্ষমতাশীন দলের তিন চেয়ারম্যান প্রার্থী।

তাঁরা হলেন, হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ প্রার্থী জুলফিকার আলী, পাইন্দং ইউনিয়নে শাহ আলম সিকদার ও কাঞ্চননগর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী দিদারুল আলম।

শনিবার বিকেল তিনটার দিকে তাঁরা পৃথক ভাবে এ ঘোষণা দেন।

এদিকে ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের কাছে ওই ধরনের কোনো সংবাদ নেই। নিয়ম অনুযায়ি এখন সবাই নির্বাচনের বৈধ প্রার্থী। এছাড়া এ পর্যন্ত কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবিসহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন। দ্রুত বিচারিক ব্যবস্থার জন্য ৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত আছেন।’

ফটিকছড়ি উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নের মধ্যে ১৪টিতে নির্বাচন হচ্ছে। নানুপুর ইউনিয়ন নিয়ে মামলা চলমান থাকায় তফসিল ঘোষণা করতে পারেনি নির্বাচন কমিশন। শেষ মুহুর্তে এসে সীমানা জটিলতায় উচ্চ আদালতের নির্দেশে ভূজপুর ইউনিয়নের নির্বাচনও তিন মাসের জন্য স্থগিত হয়ে গেছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, এ উপজেলার ১৪ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৪৪ জন, সাধারণ সদস্য পদে ৪০৬ জন ও সংরক্ষিত মহিলা আসনে ৯৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ১৪টি ইউনিয়নের মধ্যে চারটিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের চারজন প্রার্থী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তবে ওই চারটি ইউনিয়নে সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে নির্বাচন হচ্ছে।

উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়নের ৪ টি অস্থায়ী ভোটকেন্দ্রসহ ১৩৭ টি কেন্দ্র এবং ৫৮৭ টি ভোটকক্ষে ভোট গ্রহণ চলছে। মোট ভোটার ২ লক্ষ ৪২ হাজার ৬৪৫ জন।

নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে ফটিকছড়িতে থাকা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুহুল আমীন বলেন, ‘সকাল থেকে সুষ্ঠু ভাবেই ভোট গ্রহণ চলছে। এ গ্রামের মধ্যেও নারী ভোটারদের ব্যপক উপস্থিতি বেশ আশা জাগানিয়া। এদের অধিকাংশই চা শ্রমিক, সকাল সাড়ে সাতটার আগেই কেন্দ্র গুলোতে ভোটারদের ব্যপক উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে।’

চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) কাজী আব্দুল আওয়াল বলেন, ‘এ পর্যন্ত কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। ঝুঁকি বিবেচনায় স্বাভাবিকের চাইতে বেশি আইশৃংখলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। দায়িত্ব পালন করছেন ৮ প্লাটুন বিজিবি, এক হাজার ৬’শ পুলিশ। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে আছে র‌্যাবের টহল টিম। প্রত্যেক কেন্দ্রে একজন এসআইয়ের নেতৃত্বে সাধারণ কেন্দ্রে ৪ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ৬ জন করে পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। এর বাইরে প্রতি কেন্দ্রে ১৭ জন করে আনসার সদস্য আছেন।’

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts