ঝালকাঠিতে কলেজছাত্রীকে তুলে নিয়ে নির্যাতন

অফিস থেকে টেনে-হিঁচড়ে তুলে নিয়ে দলিত তরুণীকে ধর্ষণ
Share Button

 

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় এক কলেজছাত্রীকে অপহরণ করে বাড়িতে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়েছে।

নির্যাতনের অভিযোগে গতকাল শুক্রবার থানায় মামলা হয়েছে।
উপজেলার পোদ্দার আলা গ্রামের মো. মাইনুল (২৫) ও অজ্ঞাতনামা দুইজনকে আসামি করে মামলা করেছেন ওই ছাত্রীর বাবা। মামলার একদিন অতিবাহিত হলেও আসামিদের কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি রাজাপুর থানা পুলিশ।
এজাহার এবং ওই ছাত্রীর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ওই ছাত্রী স্থানীয় রাজাপুরের আলহাজ লালমোহন হামিদ মহিলা কলেজ থেকে এবছর এইচএসসি পাস করেছে। মাইনুল প্রায় দেড় বছর ধরে তাকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলো।
ওই ছাত্রী গত বৃহস্পতিবার স্নাতকে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে গ্রামের বাড়ি থেকে রাজাপুর শহরে আসে। সেখানে একটি কম্পিউটারের দোকানে যায়।
বেলা ১১টার দিকে মাইনুল তার সহযোগীদের নিয়ে ওই দোকানে গিয়ে ছাত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় তাকে জোর করে একটি মোটরসাইকেলে তুলে শহর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরে নিজের গ্রামে নিয়ে যায় বখাটেরা।
সেখানে বাড়ির একটি কক্ষে আটকে রেখে তার ওপর শারীরিক নির্যাতন করা হয়। পরে স্থানীয় এক ব্যক্তির সহযোগিতায় ওই ছাত্রী পালিয়ে এসে রাজাপুর থানায় আশ্রয় নেয়। এরপর তাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
এ বিষয়ে ছাত্রীর বাবা বলেন, কলেজে যাওয়া-আসার পথে মাইনুল তার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে। এতে মেয়ের পড়াশোনা বন্ধের উপক্রম হয়েছে। একপর্যায়ে মাইনুল পারিবারিকভাবেও তার মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে তা প্রত্যাখ্যান করা হয়। এর জেরেই মেয়েকে তুলে নিয়ে এই নির্যাতন করা হয়েছে। এখন মামলা তুলে নেয়ার জন্যও হুমকি দেয়া হচ্ছে।
রাজাপুর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) হারুন আর রশিদ বলেন, মামলায় মাইনুল ছাড়াও অজ্ঞাতনামা দুইজনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

 

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts