বাগেরহাটের মংলাপোর্ট পৌরসভার মেয়র জুলফিকার আলী সাময়িক বরখাস্ত

BDLatest24.com

অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের বকেয়া পাওনা পরিশোধ না করার অভিযোগে বাগেরহাটের মংলাপোর্ট পৌরসভার মেয়র ও বিএনপি নেতা জুলফিকার আলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

তবে বুধবার (৩০ মার্চ) বিকেল পর্যন্ত স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ওই আদেশের কপি বাগেরহাটে এসে পৌঁছায়নি।

২৮ মার্চ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব মো. আবদুর রউফ মিয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়েছে, মংলা পৌরসভার অবসরপ্রাপ্ত কর নির্ধারক দান্তে সুধাংশু সরদার, স্টোর কিপার নির্মলা ভাণ্ডার, কার্য সহকারী মো. আবু বকর সিদ্দিক, নিম্নমান সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক শেখ জাবেদ আলী, কর আদায়কারী মো. নুরুল আমিন, অফিস সহায়ক (এমএলএসএস) মো. আব্দুল মান্নানসহ অন্যান্য অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের প্রাপ্য বকেয়া বেতন, ভবিষ্যত তহবিল, আনুতোষিক ভাতা, প্রভিডেন্ট ফান্ড ও সকিউরিটি বাবদ টাকা পাওনা রয়েছে। তাদের ওই পাওনা টাকা পরিশোধের জন্য তাকে একাধিবার আদেশ দেওয়া হলেও মেয়র তা পরিশোধ করেননি।

এছাড়া তিনি মো. শহীদুল ইসলাম নামে এক অফিস সহায়ককে (এমএলএসএস) নিম্নমান সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিকের পদে ক্ষমতার অপব্যবহার করে পদোন্নতি দিয়েছেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আদেশ উপেক্ষা করে ক্ষমতার অপব্যবহার, অসদাচারণের অপরাধে স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন ২০০৯ এর (৩১) ধারার বিধান অনুযায়ী মংলাপোর্ট পৌরসভার মেয়র জুলফিকার আলীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো।

বরখাস্তের ওই আদেশে মংলাপোর্ট পৌরসভার প্যানেল মেয়র-১ কে দায়িত্বভার গ্রহণ করে দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে বাগেরহাটের স্থানীয় সরকার শাখার উপ পরিচালক শফিকুল ইসলাম জানান, এ ধরনের কোন আদেশের কপি তিনি এখনও পাননি।

এ বিষয়ে মংলাপোর্ট পৌরসভার মেয়র ও পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জুলফিকার আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সাময়িক বরখাস্তের আদেশের কথা শুনেছি। তবে এমন আদেশের কোন কপি আমি এখনও পাইনি। চিঠি হাতে পেলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেব।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts

Leave a Comment