মাদ্রসা ছাত্রীকে ৫ দিন ধরে গণধর্ষণ : তারপর…

Rape logo 1

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় মাদ্রাসা ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত দুই জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত বুধবার রাতে উপজেলার নতিডাঙ্গা গ্রাম থেকে মাদ্রাসা ছাত্রীকে উদ্ধার ও দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় রাতেই আলমডাঙ্গা থানায় একটি মামলা হয়েছে। গতকাল (আজ বৃহস্পতিবার) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে মাদ্রাসা ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা ও আলমডাঙ্গা আমলী আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হল- আলমডাঙ্গা উপজেলার ভাংবাড়িয়া ইউনিয়ানের ফুলবগাদি গ্রামের হারুনুর রশিদের ছেলে ফারুক হোসেন ওরফে আপন ও বাড়াদি ইউনিয়নের নতিডাঙ্গা মাঝেরপাড়ার দাউদ হোসেনের ছেলে চান্দু মন্ডল।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার দুপুরে নতিডাঙ্গা গ্রামের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর মাদ্রাসা ছাত্রী নতিডাঙ্গা দাখিল মাদ্রাসা থেকে পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে চান্দু মন্ডল, মহিমা বেগম, ফারুক হোসেন ওরফে আপনসহ কয়েক জন মিলে অপহরণ করে নিয়ে যায়। মাদ্রাসা ছাত্রীকে পাঁচ দিন আটকে রেখে নির্যাতন ও ধর্ষণ করে ফারুক হোসেন ওরফে আপন।

পরে মাদ্রাসা ছাত্রীর পরিবার বিষয়টি আলমডাঙ্গা থানা পুলিশকে জানায়। পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত বুধবার রাতে মহিমা বেগমের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মাদ্রাসা ছাত্রীকে উদ্ধার ও দুই জনকে গ্রেফতার করে। গতকাল (আজ বৃহস্পতিবার) দুপুরে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ সোনিয়া আহম্মেদ ধর্ষিতা মাদ্রাসা ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা করেন।

আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ গতকাল (আজ বৃহস্পতিবার) দুপুরে গ্রেফতারকৃত দুই জনকে আমলী আলমডাঙ্গা আদালতে হাজির করলে বিচারক ড. এবিএম মাহমুদুল হক জেল হাজতে প্রেরণের আদেশ দেন। আসামী দুই জনকে বিকালে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আর মাদ্রাসা ছাত্রীর জবানবন্দী ২২ ধারায় রেকর্ড করেছেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আব্দুল হালিম।

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকরাম হোসেন জানান, ধর্ষিত ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে পাঁচ জনের নামে মামলা করেছে। অন্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts