যশোরের শার্শায় ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে মাদরাসা ভাঙচুর

jessore
Share Button

শার্শা উপজেলায় এক মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোরআন শিক্ষার্থী এক ছাত্রীকে (১৪) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার বিকেলে ঘটনাটি জানাজানি হলে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও ওই ছাত্রীর স্বজনেরা ধর্ষক শিক্ষকের বাড়ি ও মাদরাসা ভাঙচুর করেছে। ওই শিক্ষক আলতাফ হোসেন (৪৪) পলাতক রয়েছেন।

ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রী বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। মঙ্গলবার সকালে তাকে শাররীক পরীক্ষার জন্য যশোর মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

অভিযুক্ত ধর্ষক শিক্ষক আলতাফ হোসেন উপজেলার আমলা গ্রামের ওই মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা মৃত আব্দুল বারিক ঢালীর ছেলে। এলাকার মেয়েরা এ মাদরাসায় এসে কোরআন শিক্ষা নেয়।

স্থানীয় গোগা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ জানান, আলতাফ হোসেন ও তার স্ত্রী নিজ বাড়িতে ছোট-ছোট কিছু ঘর তৈরি করে হাফিজিয়াখানা মাদরাসা বানিয়ে সেখানে ছাত্রীদের রেখে কোরআন শিক্ষা দেন। গত দুই মাস ধরে কৌশলে আলতাফ হোসেন মেয়েটিকে ধর্ষণ করে আসছেন। সোমবারও মেয়েটিকে ধর্ষণের পর সে বাধ্য হয়ে অন্য ছাত্রীদের ঘটনাটি জানায়।

এ ঘটনা জানার পর মেয়েটির বাবা ইউনিয়ন পরিষদে এসে বিচার চাইলে ওই শিক্ষককে ডেকে পাঠানো হয়। কিন্তু এর আগেই তিনি পালিয়ে যান। পরে এলাকাবাসী ও ওই ছাত্রীর স্বজনেরা গিয়ে ওই শিক্ষকের বাড়ি ও মাদরাসা ভাঙচুর করেন। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এ ব্যাপারে শার্শা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। সোমবার মেয়েটিকে পুলিশী হেফাজতে নেওয়ার পর মঙ্গলবার সকালে তাকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য যশোরে পাঠানো হয়েছে। মেডিকেল রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts