গণধর্ষণের দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করে চাঁদা দাবি

মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের ভিডিও ইন্টারনেটে
Share Button

এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করে তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করছে ধর্ষকরা।

বরিশালের বানারীপাড়ার এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের পর সাদেক শেখ নামে এক ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

তবে ধর্ষণদৃশ্য ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা অপর ধর্ষক রমজান হাওলাদারকে গ্রেফতার এবং ওই ভিডিও চিত্র উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ।

পুলিশ জানায়, সোমবার রাতে উপজেলার ঘাটাপাড়া এলাকার ওই নারী পার্শ্ববর্তী বলহার গ্রামের সাদেক শেখ (৪৫) ও রমজান হাওলাদারকে (২২)আসামি করে ধর্ষণ ও চাঁদা দাবির মামলা করেন।

মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, পার্শ্ববর্তী বলহার গ্রামের সাদেক শেখের সঙ্গে দীর্ঘ দিন ধরে টাকা-পয়সা লেনদেনের সুবাদে তাদের বাড়িতে তার যাওয়া-আসা ছিল।

গত ২২ ফেব্রুয়ারি সকালে ওই গৃহবধূর স্বামী লেগুনা চালাতে যায় এবং তার ১০ ও ১২ বছর বয়সী দুই সন্তান স্কুলে যাওয়ার পর তিনি দুই বছরের শিশুকে নিয়ে ঘরে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন।

ওই দিন বেলা ২টার দিকে সাদেক শেখ তার ঘরে প্রবেশ করে বিভিন্ন রকম ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে। পরে ২৭ ফেব্রুয়ারি বেলা পৌনে ১টায় তার সহযোগী রমজান হাওলাদারও গৃহবধূর ঘরে ঢুকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে তা মোবাইল ফোনে ধারণ করে।

রমজান হাওলাদার দু-তিন দিন আগে গৃহবধূর স্বামীকে তার মোবাইল ফোনে কল করে তার স্ত্রীর ধর্ষণদৃশ্যের ভিডিও ফেরত দেয়ার জন্য জন্য ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে।
অন্যথায়, ওই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখায়। এ ঘটনা স্থানীয়ভাবে জানাজানি হলে শেষ পর্যন্ত থানা পুলিশ পৌঁছায়।

খবর পেয়ে ওসি সাজ্জাদ হোসেন সোমবার রাতে ঘাটাপাড়া এলাকা থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন এবং ওই রাতেই অভিযুক্ত দুজনের বিরুদ্ধে গৃহবধূ বাদী হয়ে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

মামলার গ্রহণের পরই সোমবার রাতে ধর্ষক সাদেক শেখকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মামলার তদন্তকরী কর্মকর্তা এসআই সাইয়েদ হোসেন জানান, অন্য আসামিকেও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts