ঢাকা কলেজের শিক্ষকের কান্ড!

Dhaka collage teacher

সোহেল হাসান গালিব (ডানে) ঢাকা কলেজের শিক্ষক। এ ছবি পহেলা বৈশাখের। টেবিলে রাখা মদের বোতলটি কলেজেরই দুই ছাত্রকে দিয়ে কিনিয়ে আনা।

এ নিয়ে নিজের ফেসবুক ওয়ালে ক্ষুব্ধ স্ট্যাটাস দিয়েছেন কবি আবু হাসান শাহরিয়ার। আমাদের সময়ের সাবেক সম্পাদক তার ফেসবুক ওয়ালে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক ফাহিমা খাতুনের উদ্দেশে লেখেন- ‘‘অসামাজিক কার্যকলাপ ও ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে এই লম্পট শিক্ষক ইতঃপূর্বে একটি সরকারি মহিলা কলেজ থেকে বিতাড়িত হয়েছিল। পরিতাপের বিষয় এই যে, মিথ্যা অপবাদে শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে কান ধরে ওঠ-বস করতে হয় এই দেশে, সোহেল হাসান গালিবের মতো কুলাঙ্গাররা পুনঃপুনঃ অন্যায় করেও পার পেয়ে যায়।

যার সঙ্গে শিক্ষকটি মদের নেশায় বুঁদ হয়ে আছে, সে (জসিম উদ্দিন সুজন) একজন ছিনতাইকারী। বগুড়ায় থাকাকালে কাহালু উপজেলার গ্রামীণ ব্যাংকের এক কর্মকর্তার ব্যাগ ছিনতাইকালে হাতনাতে ধরাও পড়ছিল। কাহালু থানায় তার নামে মামলা নথিভুক্ত আছে।

ঘটনাকালে জনতার ধোলাইয়ে তার গালে একটি গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়, যার দাগ সে এখনও শরীরে বহন করছে এবং ওই দাগের কারণে বগুড়ার স্থানীয় লোকজন তাকে ‘গালকাটা সুজন’ নামে চেনেন।

ছিনতাইকারীর বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর সঙ্গীতভবনে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িতদের অন্যতম হিসেবে অভিযুক্ত। তার বাবা পুলিশের একজন অবসরপ্রাপ্ত এসআই এবং মা জামায়াতের সাবেক নারীসংগঠক।
আপা,
আপনিও একসময় ঢাকা কলেজে শিক্ষকতা করেছেন। আমার প্রশ্ন, আপনি মাউশির মহাপরিচালক থাকাকালীন ওই কলেজে এমন নষ্ট শিক্ষক থাকে কী করে? একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি মনে করি, বাংলাদেশের কোনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই এমন অনৈতিক শিক্ষকের জায়গা হওয়া উচিত নয়।

তাই আশা করি, শিক্ষাঙ্গনকে পবিত্র রাখতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে ছিনতাইকারী ও চোরচোট্টার বন্ধু এই লম্পট ও মদ্যপ শিক্ষকটির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আপনার অধিদপ্তর কালবিলম্ব করবে না।

শিক্ষাঙ্গন হোক মহীরুহের আঁতুড়ঘর। শিক্ষাঙ্গনসহ সমাজের সব ক্ষেত্র থেকে উৎপাটিত হোক আগাছা-জঞ্জাল।’’

 

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts