বন্ধুদের নিয়ে প্রেমিকাকে গনধর্ষণ, অত:পর বিয়ে!

Rape logo 1
Share Button

গণধর্ষণের শিকার এক ছাত্রীকে লম্পটের সঙ্গেই বিয়ে দেয়া হয়েছে। ডোমার উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের ধনীপাড়া গ্রামে এমন ঘটনা ঘটেছে।

জানা গেছে, জামিরবাড়ী চাগধাপাড়া গ্রামের জাহাঙ্গীরের ছেলে ফরহাদ হোসেন জীবনের সঙ্গে ওই ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। একপর্যায়ে ওই ছাত্রীকে ডেটিংয়ের কথা বলে বন্ধুদের নিজের প্রেমিকাকেই গণধর্ষণ করে জীবন। পরে তার সঙ্গেই ওই ছাত্রীর বিয়ে দেয়া হয়। জীবন সদ্য পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকরি নিয়ে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে যোগ দিয়েছে।

ওই ছাত্রীর বাবা জানান, ২৯ জানুয়ারি বেড়ানোর কথা বলে তার মেয়েকে মোটরবাইকে করে নিয়ে যায় জীবন ও তার চার বন্ধু। অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে জীবন ও তার চার বন্ধু।

পরে তাকে বাড়ির অদূরে একটি ফসলের মাঠে ফেলে রেখে যায়। অসুস্থ কিশোরী নীলফামারী হাসপাতালে বেশ কয়েকদিন চিকিৎসা নেয়। এ ঘটনায় ৬ ফেব্রুয়ারি ডোমার থানায় অভিযোগ করেন ভিকটিমের বাবা। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করলেও মামলা নিতে রাজি হচ্ছিল না। পরে ইউপি চেয়ারম্যানসহ ক্ষমতাসীন দলের নেতারা বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেন। কিশোরীর নামে ০.৬০ একর জমি লিখে দিয়ে এবং ২৬ লাখ টাকা দেনমোহরে ধর্ষণের শিকার কিশোরীকে বিয়ে করতে রাজি হয় জীবন।

মঙ্গলবার রাতে আবু মাওলানার বাড়িতে চুপিসারে এফিডেভিডের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়। নতুন বউকে নিয়ে বাড়িতে যায় বরপক্ষ। ধর্ষণের বিচার না হয়ে উল্টো ধর্ষকের হাতে কিশোরীকে তুলে দেয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts