ভুল ট্রেনে চড়ে গণধর্ষনের শিকার কিশোরী

ছত্তিশগড়ের মেয়েটি ভুল করে অন্য ট্রেনে উঠেছিল। কিছু বুঝে ওঠার আগেই সে ট্রেন দিল্লি স্টেশনে ঢুকে পড়ে। তার কাছে যৎসামান্য টাকা ছিল। কারণ, ছত্তিশগড়ের যেখান থেকে বছর পনেরোর নাবালিকা ট্রেনে উঠেছিল সেখান থেকে রেল পথে তার আত্মীয়র বাড়ি মেরে কেটে ঘণ্টা দেড়েকের রাস্তা।

এই সামান্য রাস্তা ভুল করায় নাবালিকার যা হল হল তাতে শিউড়ে উঠছেন সকলে। দিল্লি স্টেশনে ছত্তিশগড়ের নাবালিকার সঙ্গে জল বিক্রেতা আরমানের সঙ্গে পরিচয় হয়। আরমান ওই নাবালিকাকে সারাই কালে খান এলাকায় তার বাড়ি নিয়ে আসে। সেখানেই মেয়েটিকে ধর্ষণ করে আরমান। এই কাজে সাহায্য করে আরমানের স্ত্রী হাসিনা।

 

এরপর, আরমান ও হাসিনা ওই নাবালিকাকে পাপ্পু যাদব নামে একজনের কাছে বিক্রি করে দেয়। এরজন্য ৭০,০০০ হাজার টাকা নেয় ওই দম্পতি। পাপ্পুর কাছে মারখাওয়া আর ধর্ষিত হওয়াটাই ছিল নাবালিকার নিত্যকারজীবন। একদিন কোনওভাবে পালিয়ে হজরত নিজামুদ্দিন রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছয় ওই নাবালিকা। কিন্তু, সেখানে তাকে ধরে ফেলে হাসিনা। সাহায্য করার নামে নেশার ওষুধ মেশানো পানিয় খাইয়ে দেয় সে। সেসময়ই হাসিনা ফের একবার নাবালিকাকে বিক্রি করে। মহম্মদ আফরোজ নামে বছর বাইশের যুবকের কাছে নাবালিকাকে বিক্রি করে হাসিনা। রেললাইনের ধারেই নাবালিকাকে ধর্ষণ করে আফরোজ। জ্ঞান ফিরলে ফের সেখান থেকে পালায় নাবালিকা। সেসময় কয়েক জন পথচারী নাবালিকাকে দেখতে পেয়ে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

নাবালিকার বয়ানের ভিত্তিতে পাপ্পু যাদব এবং আফরোজকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। প্রয়োগ করা হয়েছে পস্কো আইন। এফআইআর-এ ২০০৬-এর চাইল্ড ম্যারেজ অ্যাক্টও যুক্ত করা হয়েছে। আপাতত এইএমস-এ চিকিৎসা চলছে তার। বাড়িতে খবরও দেওয়া হয়েছে।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts