মা কুপ্রস্তাবে রাজি হয়নি তাই সন্তানকে অপহরণ

cidnap
Share Button

মা কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় লামিয়া নামে দুই বছরের এক শিশুকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে তারই ফুফার বিরুদ্ধে। এই ঘটনার মূলহোতা শিপন ও তার সহযোগী জালালকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় অপহৃত শিশুটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুন) রাতে জেলা সদর উপজেলার নীলগঞ্জ এলাকায় এই উদ্ধার ও আটকের ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার শিপন উপজেলার কিরাটন বিলপাড়া গ্রামের খুর্শিদ আলমের ছেলে।

শিশুটির পরিবার ও পুলিশ জানায়, গত ২৯ মে রাতে করিমগঞ্জ উপজেলার দেহুন্দা গ্রামের শাহ আলমের শিশু সন্তান লামিয়াকে ঘর থেকে কৌশলে অপহরণ করে তারই ফুফা শিপন। শিশুটির বাবা ও মা রাজধানী মিরপুরে বসবাস করে একটি গার্মেন্টসে কাজ করতেন। তাদের পাশের বাসায় ভাড়া থাকতেন সিএনজি চালক লামিয়ার (ফুফা) শিপন।

শিশুটির মা জানান, শিপন ঢাকায় থাকার সময় নানা কৌশলে আমাকে কুপ্রস্তাব দিতে থাকেন। কিন্তু তাতে রাজি না হওয়া তিনি আমাকে দেখে নিবে বলে হুঁমকি দেন। এক পর্যায়ে বিষয়টি লামিয়ার বাবা শাহ আলমকে জানালে তিনি চাকরি ছেড়ে দিয়ে বাধ্য হয়ে আমাদের নিয়ে ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে চলে আসেন। এতে আরো ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন শিপন। অপহরণের দিন আমাদের অলক্ষ্যে সে বাড়ি থেকে আমার দুই বছরের শিশু সন্তান লামিয়াকে অপহরণ করে পালিয়ে যায়। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে আমরা পুলিশের সাহায্য নেই এবং তাদের পরামর্শ মত কাজ করি।

শিপনকে ধরতে পুলিশের পাতা ফাঁদ মত আমি তাকে ফোন করি। গোপন স্থানে তার সঙ্গে দেখা করতে চাই বললে তিনি আমার প্রস্তাবে রাজি হয়ে যান। পরে আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুন) রাতে দেহুন্দা পাকা সেতুর কাছে আসার পরই সেখানে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা পুলিশ শিপনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তার দেয়া তথ্য মতে নীলগঞ্জ এলাকায় শিপনের ফুফাতো ভাই জালালের বাড়ি থেকে লামিয়াকে উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে করিমগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির রব্বানী জানান, এ ব্যাপারে থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করা হয়েছে। অপহরণকারীদের আদালতের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জ কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts