রাজধানীতে পুলিশের চিরুনি অভিযান চলছে

Bangladesh-Police

রাজধানীতে একের পর স্পর্শকাতর হত্যাসহ আইনশৃংখলা পরিস্থিতির ক্রমেই অবনতি ঠেকাতে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে পুলিশ। সন্ত্রাস কবলিত এলাকাকে চিহ্নিত করে শুক্রবার রাত থেকে শুরু হয়েছে ‘চিরুনি’ অভিযান।

অভিযানের প্রথম রাতেই রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে দেড় শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে ডিএমপি সূত্রে জানা গেছে। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত চেকপোস্টের বাইরে বসানো হয়েছে অতিরিক্ত চেকপোস্ট। সার্বিক পরিস্থিতি মনিটরিংয়ের জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর দফতরে (ডিএমপি) স্থাপন করা হয়েছে একটি বিশেষ সেল। সন্দেহভাজন কাউকে পেলে সে খবর তাৎক্ষণিকভাবে মনিটরিং সেলে জানানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ডিএমপির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে এ পরিস্থিতিতে শনিবার ডিএমপি সদর দফতরে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেছেন পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। উপ-কমিশনার (ডিসি) থেকে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে যে কোনো মূল্যে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিকে নিয়ে আসার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সন্ত্রাসী সে যে দলেরই হোক না কেন তাকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ডিএমপির ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে হত্যাসহ বিভিন্নভাবে রাজধানীর আইনশৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটিয়ে আতংক সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। চক্রটি মনোবল ভেঙে দিতে আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের ওপরও হামলা চালাতে পারে বলে গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে রাজধানীতে সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার ও সার্বিক পরিস্থিতি মনিটরিংয়ের জন্য ৪৯ থানা পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে রাজধানীতে চেকপোস্ট বৃদ্ধিসহ বাস টার্মিনাল, রেল স্টেশনের পাশাপাশি বিভিন্ন আবাসিক হোটেল, গেস্ট হাউস ও মেসে নজরদারির নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ও আনসার সদস্যদের এ অভিযানে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।

এদিকে উচ্চপর্যায়ের নির্দেশ পাওয়ার পর শুক্রবার রাত থেকেই বিভিন্ন বাস ও রেল স্টেশনে নিরাপত্তা হঠাৎ করে বাড়ানো হয়। মোতায়েন করা হয় অতিরিক্ত পুলিশ। আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা বাস ও ট্রেনে কড়া নজরদারি রাখতে শুরু করেছেন।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts