সায়েম গ্রুপের এজিএম খুনের নেপথ্যে পরকীয়া!

সায়েম গ্রুপের এজিএম খুনের নেপথ্যে পরকীয়া!

সায়েম গ্রুপের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মনিরুল ইসলাম হত্যার নেপথ্যে রয়েছে ‘বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক’। এ কারণেই তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে পাঁচজনকে গ্রেফতারের পর এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ডিবি।

ডিবির যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন বলেন, ‘গ্রেফতার মুরসালিনের বাবা মানসিক ভারসাম্যহীন। তার মা সয়েরঙ্গে মনিরুল ইসলামের (সায়েম গ্রুপের এজিএম-মার্কেটিং) বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি মুরসালিন। ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি মনিরুলকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।’

মুরসালিনসহ গ্রেফতার অপর আসামিরা হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলেও এসময় জানান এই গোয়েন্দা কর্মকর্তা। মুরসালিন ছাড়া গ্রেফতারকৃত অন্যরা হলেন—শাকিল, আকাশ, আশিক এবং জুয়েল।

ডিবি জানিয়েছে, খিলগাঁও অঞ্চলের দায়িত্বে থাকা দলটি ঢাকা ও আশেপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে। রোববার রাত থেকে শুরু হয় এ অভিযান। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

প্রসঙ্গত, গত ১৭ মে সন্ধ্যায় নন্দিপাড়া ব্রিজের পাশে গাড়ি থামিয়ে চালককে ‘কিছুক্ষণের মধ্যে আসছি’ বলে হেঁটে চলে যান মনিরুল ইসলাম। পরে তার খোঁজ না মেলায় সবুজবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরদিন সকালে খিলগাঁওয়ে রাস্তার পাশে তার নিথর দেহ পাওয়া যায়। এরপর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় খিলগাঁও থানার মামলাটি পরে ডিবিতে স্থানান্তর করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ডিবি কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন বলেন, ‘পরে তাদের (গ্রেফতারকৃত) দেওয়া তথ্যমতে, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা দক্ষিণগাঁও এলাকার বিভিন্ন জলাশয় থেকে মনিরুলের ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন ও একটি ট্যাব উদ্ধার করে।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিস্তারিত তথ্য এখনও জানা পাইনি। তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সব তথ্যই বেরিয়ে আসবে।’

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts