দিশা পটনির ঝকঝকে ত্বকের রহস্য!

দিশা পাটেল
Share Button

টিনসেল টাউনের গুঞ্জন, ইদানীং সেট’এ দিশার জন্য রোজ খাবার আসছে টাইগার শ্রফের বাড়ি থেকে! মনে তো হচ্ছে দুই ভক্তের জোরাজুরিতেই দিশাকে ফের কাস্ট করা হচ্ছে ‘স্টুডেন্ট…’এর সিক্যুয়েলের জন্য।

‘এম এস ধোনি’র সাফল্যের পর দিশা পটনিকে নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই। বেশ কিছুদিন আগে শোনা গিয়েছিল, টাইগার শ্রফের সঙ্গে দিশা নাকি ‘স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার টু’ করছেন। তারপর আবার শোনা গেল, সেফ আলি খানের মেয়ে সারা আলি থাকছেন দিশা পটনির জায়গায়। কিন্তু ফের শোনা যাচ্ছে, সারা নয়, থাকছেন দিশাই! এত বিভ্রান্তির কারণ একটাই। দিশাকে নিয়ে লোকের উৎসাহ। ছবির পরিচালক পুণিত মলহোত্র নাকি কিছুদিন আগে দিশার সঙ্গে একটি বিজ্ঞাপনের শ্যুটে কাজ করে তাঁর ভক্ত হয়ে গিয়েছেন। তাই প্রযোজক কর্ণ জোহরকে দিশাকেই কাস্ট করতে অনুরোধ করেছেন। এদিকে দিশার ভক্ত টাইগার শ্রফও! ‘কফি উইথ কর্ণ’এ গিয়ে বলেওছেন সে কথা। টিনসেল টাউনের গুঞ্জন,  ইদানীং সেট’এ দিশার জন্য রোজ খাবার আসছে টাইগার শ্রফের বাড়ি থেকে! মনে তো হচ্ছে দুই ভক্তের জোরাজুরিতেই দিশাকে ফের কাস্ট করা হচ্ছে ‘স্টুডেন্ট…’এর সিক্যুয়েলের জন্য। 
দিশাকে নিয়ে ‘ওবেলা’র কৌতূহলও কম নয়। সেটা অবশ্য তাঁর ঝকঝকে ত্বকের জন্য। কী করে এমন ঝকঝকে ত্বকের অধিকারী হওয়া যায়? তাঁর কাছ থেকে জেনে নিল ‘ওবেলা’।
‘‘ছোট থেকেই আমি খুব খেলাধুলো করতাম। সাজগোজ নিয়ে তেমন সচেতন ছিলাম না। তবে বরাবরই ত্বক পরিষ্কার রাখতাম। দু’বেলা ভাল করে মুখ ধুতাম। ময়েশ্চারাইজার লাগাতাম নিয়মিত,’’ বললেন দিশা।
অভিনেত্রী হিসেবে প্রায় প্রত্যেকদিন অনেকটা সময় মেকআপ করে থাকতে হয়। এখন দিশা ত্বকের যত্ন নেন কীভাবে? নায়িকা জানালেন, যে দিনগুলোয় শ্যুটিং বা কোনও ইভেন্ট থাকে না, একদমই মেকআপ করেন না। ‘‘ত্বককে একটু নিঃশ্বাস নেওয়ার সুযোগ দেওয়াটা প্রয়োজন। রোজ শ্যুটের পর আমি ভাল করে মেকআপ তুলে ফেলি। তারপর পন্ডস পিওর হোয়াইট ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিই। ত্বক যত পরিষ্কার রাখা যায়, সমস্যাও তত কম হয়,’’ বললেন নায়িকা।
তবে তাঁর যে কখনওই ত্বকের কোনও সমস্যা হয়নি, তেমন নয়। দিশার কথায়, ‘‘সকলের মতো আমারও মাঝে মাঝেই ত্বকে নানা রকম সমস্যা হয়। অ্যাকনে বা র‌্যাশ তো লেগেই থাকে! কিন্তু সেগুলোকে আমি তেমন পাত্তা দিই না। নিজের ত্বকের অংশ হিসেবেই মনে করি। এতে লজ্জা পাওয়ার তো কিছু নেই।’’ দিশা চান, কমবয়সি মেয়েরাও যেন ত্বকের সমস্যা নিয়ে অস্বস্তিতে না ভোগে। ‘‘ইট্‌স আ ভেরি ন্যাচারাল থিং। নাথিং টু বি এমব্যারাস্‌ড অ্যাবাউট ইট,’’ দিশার মত।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts