‘সবাই নতুন মুখ চায়, কিন্তু আমার মুখটা পুরনো’

লাবণী ভট্টাচার্য
Share Button

কিছুদিন আগেও ছিলেন নায়িকা। কালার্স বাংলার ‘ভালবাসা ভালবাসা’ ধারাবাহিকের মুখ্য চরিত্রের অভিনেত্রী ছিলেন লাবণী ভট্টাচার্য। তিনিই এখন ‘ছদ্মবেশী’-র পুষ্পা, পার্শ্বনায়িকা। এর আগে ‘দীপ জ্বেলে যাই’ ধারাবাহিকে শালিনী শর্মার চরিত্রে দেখা গিয়েছে তাঁকে। খলনায়িকা থেকে নায়িকার ভূমিকায় উত্তীর্ণ হয়েও ফিরতে হল সাপোর্টিং চরিত্র। এই নিয়ে ঠিক কী ভাবছেন টেলি-অভিনেত্রী? সোশ্যাল মিডিয়াতেই জমে উঠল সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা—

পুষ্পা তো নায়িকা নয়, পার্শ্বনায়িকা। খারাপ লাগেনি?

লাবণী: হুম, লেগেছে কিন্তু কিছু করার নেই। এখন সবাই নতুন মুখ চায়, সেখানে আমার মুখটা পুরনো। আর একবার ভিলেন হয়ে যাওয়ার পরে কেউ সেই ভাবে নায়িকা হিসেবে অ্যাকসেপ্ট করবে না। আর একই কথা বলতে গেলে মধুবনিদিও তাই। ‘ছদ্মবেশী’-তে মধুবনিদি অমিতের গার্লফ্রেন্ডের চরিত্র করছে, সেটাও তো ঠিক নায়িকা নয়। ওর সঙ্গে কাজ করেছি আগে। আমার প্রথম কাজ ছিল ‘ভালবাসা ডট কম’। স্নেহাশিস চক্রবর্তীর হাত ধরে কাজ শুরু। ওখানে বেশ কিছু প্রজেক্ট করি পর পর, তার পর টেন্ট সিনেমা মানে সুশান্ত দা। তার পরে ‘ব্লু ওয়াটার’ মানে যিশুদা আর নীলাঞ্জনাদির হাউস। এই ৩টি হাউসেই আমি সবচেয়ে বেশি কাজ করেছি আর খুব ভাল ভাবে কাজ করেছি কোনও রকম অসুবিধা হয়নি কখনোই। আর এখন তো আবার সুশান্তদার সঙ্গে কাজ করছি।

তুমি প্রথম নায়িকা হলে কোন প্রজেক্টে?

লাবণী: ‘স্বপ্ননীড়’-এর লিড করেছি। তার পর ‘সাহিত্যের সেরা সময়’-তে ‘রূপসী বিহঙ্গিনী’-তেও লিড করেছিলাম। তার পর ‘দীপ জ্বেলে যাই’। আবার ‘ভালবাসা ভালবাসা’-তে কাজ করার আগে ‘রবি ঠাকুরের গল্প’-তেও করেছি— ‘মধ্যবর্তিনী’-র শৈলবালা।

‘ছদ্মবেশী’তে তোমার চরিত্রটা কি এবার আরও বড় আকারে আসছে?

লাবণী: হ্যাঁ, আসলে পুষ্পা হল ‘অমিত’-এর যমজ ভাই সুন্দরলালের চাহনেওয়ালি। লখনউতে থাকে। বেশ কিছুদিন আগে এই চরিত্রটা এসেছিল, এবার আবারও বড় করে দেখা যাবে আর গল্পটাও অনেকটা জমবে।

তুমি তো যিশু-নীলাঞ্জনার সঙ্গে কাজ করেছ আবার স্নেহাশিস চক্রবর্তী-রূপসার সঙ্গেও কাজ করেছ। কাকে বেশি ভাল লাগে, নীলাঞ্জনা না রূপসা?

লাবণী: এই রে এটা বলাটা বেশ কঠিন। কিন্তু বেশি কাছের অবশ্যই রূপসাদি কারণ রূপসাদির সঙ্গে অনেক দিনের পরিচয়, ঘরের মতো সম্পর্ক। আর নীলাঞ্জনাদিও খুব ভাল, ভীষণ হেল্পফুল কিন্তু কেন জানি না আমার ভয় লাগে নীলাঞ্জনাদির সঙ্গে কথা বলতে…

আর যিশুকে কেমন লাগে?

লাবণী: যিশুদা খুব কম কথা বলত কিন্তু খুব মিষ্টি। ছোট থেকে যিশুদাকে অন-স্ক্রিন দেখেছি, মনের কোনায় একটা ভাললাগা তো ছিলই… হা হা হা…

যিশুদার সঙ্গে ছবি করতে চাও?

লাবণী: অবশ্যই। তবে যিশুদার সঙ্গে একটু অন্য ধরনের ছবিতে কাজ করতে চাই, যেখানে চরিত্রটা একটু সিরিয়াস হবে।

নায়িকা হিসেবে কে তোমার রোল মডেল? সুচিত্রা সেন বা সুপ্রিয়া দেবীদের সময়টা বাদ দিয়ে—

লাবণী: টালিগঞ্জের কোনও নায়িকাকেই ফলো করি না একদমই, একজনকেই ফলো করি— প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। তবে একটা কথা বলতে পারি, ‘আলো’ ছবিতে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে দেখে চোখ সরাতে পারিনি।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts