ভারতের শীর্ষ ৮টি যৌনপল্লির কী অবস্থা?

sex worker
Share Button

নারীপাচারের অভিশাপ থেকে আজও মুক্ত নয় দেশ। বরং দিনে দিনে তা আড়েবহরে বেড়ে চলেছে। দেশের বিভিন্ন যৌনপল্লিতে পাচার করা মেয়েদের বিক্রির অভিযোগ ওঠে। আশার কথা একটাই। যৌনপল্লিগুলিতেই আজকাল শুরু হয়ে গিয়েছে পাচার-বিরোধী কাজকর্ম। অনেক যৌনকর্মীই এগিয়ে এসেছেন এই কাজে। তবু পাচারের অভিশাপ সমূলে উপড়ে ফেলতে এখনও হয়তো অনেকটা রাস্তা যেতে হবে বলে মনে করছে সরকার এবং নারীপাচার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। একনজরে দেখে নেওয়া যাক, দেশের সেই ৮টি যৌনপল্লি যেখানে নারীপাচারের অভিযোগ ওঠে।

১. সোনাগাছি, কলকাতা— প্রথমেই উত্তর কলকাতার এই যৌনপল্লির নাম আসে। তবে এখানে কিন্তু সচেতনতাবৃদ্ধির কাজ রীতিমতো দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করছেন যৌনকর্মীরাও।

২. কামাথিপুরা, মুম্বই— সোনাগাছির পরেই ভারতের দ্বিতীয় বড় যৌনপল্লি।তবে হালফিলে বিড়ি শিল্পের মতো একাধিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এই এলাকায়। ১৯৮০-র দশকে দাউদ ইব্রাহিম এবং হাজি মস্তানকে এই এলাকায় দেখা যেত প্রায়শই।

৩. বুধওয়ার পেট, পুণে— ভারতের তৃতীয় বৃহৎ যৌনপল্লি।কিন্তু আজকাল ইলেকট্রনিক্স পণ্য এবং বইয়ের ব্যবসা শুরু হয়েছে এখানে। যৌনকর্মীরা ক্রমশ এই সব ব্যবসায় চলে আসছেন।

৪. মিরগঞ্জ, এলাহাবাদ— এই যৌনপল্লি একসময়ে নারীপাচারের জন্য কুখ্যাত ছিল।কিন্তু ক্রমশ সেই সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে।

৫. জি বি রোড, দিল্লি— রাস্তার পাশে দোতলা বা তিনতলা বাড়ি।নীচে গাড়ির যন্ত্রাংশের ব্যবসা, উপরে ‘কোঠা’। ভারতে এ এক আজব সংমিশ্রণ।তবে বলা হচ্ছে, নীচের ব্যবসার রমরমা দেখে আজকাল অনেকেই দেহব্যবসা ছেড়ে হরেক কিসিমের ব্যবসায় এগিয়ে আসছেন।

৬. চতুর্ভুজস্থান, মুজফ্ফরপুর— এখানে দেহব্যবসার পাশাপাশি এখনও মুজরার আসর বসে।শুধুমাত্র বাইজির গান শুনতে এখানে এখনও অনেকে আসেন।

৭. ইটওয়ারি, নাগপুর— ভারতের সম্ভবত সবথেকে উপদ্রুত যৌনপল্লি। এখানে অপরাধের মাত্রা কিন্তু প্রশাসনের কাছে দুশ্চিন্তার বিষয়।

৮. শিবদাসপুর, বারাণসী— প্রাচীন শহর, যৌনপল্লিও প্রাচীন। ফেলে আসা দিনের রমরমা এখন আর নেই। পেশা ছে়ড়ে অন্য কাজে ক্রমশ যুক্ত হচ্ছেন এখানকার মহিলারা। শিবদাসপুরই হয়তো বাকিদের পথ দেখাতে পারে।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts