মানুষের চেয়ে কাকের বুদ্ধি বেশি!

C__Data_Users_DefApps_AppData_INTERNETEXPLORER_Temp_Saved Images_crow_29792
Share Button

একটি পাত্রে পানি ছিল একেবারে তলানিতে। কিন্তু পিপাসার্ত কাকের ঠোঁট অত নিচে পৌঁছবে না। তাই সে বুদ্ধি করে ঠোঁটে করে পাথর বয়ে এনে ফেলা শুরু করে পাত্রের ভেতরে। পানির স্তর ক্রমশ উঁচুতে উঠে এলে পানি পান করে সে।

ঈশপের এ গল্পটি সবারই জানা। কাকের বুদ্ধিমত্তা প্রমাণ করা ঈশপের গল্পের উদ্দেশ্য ছিল না। কিন্তু সম্প্রতি একটি পরীক্ষায় দেখা গেছে, বাস্তব কাকের বুদ্ধিও গল্পের কাকের চেয়ে কম কিছু নয়।

নিউ ক্যালেডোনিয়ানে কাকের ওপর এই পরীক্ষাটি পরিচালনা করা হয়েছিল। সেখানে একটি পানিভর্তি পাত্রের মাঝখানে একটি কর্কে মাংসের টুকরো গেঁথে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। তার কাছে ছেড়ে দেওয়া হয়ে একটি ক্ষুধার্ত কাক। দেখা যায়, কাকটি পানির পাত্রে একের পর এক পাথরের টুকরো ফেলে পৌঁছে যাচ্ছে মাংসের টুকরোটির কাছে।

অতঃপর ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক স্যোসাইটির দ্বারা পরিচালিত আরেকটি পরীক্ষায় দেখা গেছে, কাকেরা জটিলতর সমস্যার সমাধানেও সক্ষম। পরস্পর সংযুক্ত দুটি টিউবের একটিতে পাথরের টুকরো ফেললে অন্য টিউবটিতেও পানির স্তর উঠে আসে, এটাও কাক ধারণা করতে পারে বলে এই পরীক্ষার রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।

ওই একই পরীক্ষায় উঠে এসেছে আরও চমকপ্রদ তথ্য। চার থেকে ১০ বছর বয়সী ৬৪ জন শিশুকে ওই একই পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, ৪ থেকে ৫ বছরের অধিকাংশ শিশু একাধিক প্রচেষ্টার পরেও ওই সমস্যার সমাধান করতে পারেনি।

তবে মানব সমাজের পক্ষে সান্ত্বনা এটাই যে, মানব শিশুদের ক্ষেত্রে পরীক্ষার শর্তগুলো কিছুটা অন্যরকম ছিল। পরীক্ষা পরিচালনাকারী টিমের প্রধান কোরিনা লোগান জানিয়েছেন, এই বিযয়ে নিশ্চিৎ সিদ্ধান্তে আসতে আরও পরীক্ষার প্রয়োজন।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts