হানিমুনের রাতে চিতাবাঘের হানা

হানিমুনের রাতে বাঘের হানা
Share Button

রোম্যান্টিকতাও বোঝে না চিতাবাঘ! একেবারে নবদম্পতির মধুচন্দ্রিমার রাতেই হানা। জানালার কাঁচ ভেঙে সোজা হোটেলের কক্ষে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরখণ্ড রাজ্যের পর্যটন জেলা নৈনিতালে। মধুচন্দ্রিমার জন্য পছন্দের জায়গা হিসেবে নৈনিতালকেই বেছে নিয়েছিলেন সুমিত রাঠোর।

দাম্পত্য জীবনের প্রথম সফরে সুমিত তার স্ত্রী শিবানিকে নিয়ে উঠেছিলেন হোটেলে। শনিবার মধুমাখা রাত কাটানোর পর যখন সুমিত ও তার স্ত্রী ঘুমে অচেতন ঠিক তখনই ঘটল সেই ঘটনা। ঝননননন করে ভেঙে গেল কাঁচের জানালা।

ঘটনায় চমকে ঘুম ভেঙে যায় সুমিতের। চোখ খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ। চোখের সামনে হোটেল কক্ষের ভেতরেই ঘুরে বেড়াচ্ছে জ্বলজ্যান্ত চিতা। ভয়ে ঘেমে কম্বলের তলায় নতুন বৌকে নিয়ে লুকিয়ে পড়লেন সুমিত। অসভ্য চিতাটি তখন ড্যাবড্যাব করে নতুন বর-বউয়ের দিকে তাকিয়ে রয়েছে!

তবে সৌভাগ্য যে মধুচন্দ্রিমায় বাঘমশাই ব্যাঘাত ঘটালেও তেমন কোনো ক্ষতি করেনি। এদিক ওদিক ঘোরাফেরা করে সোজা চলে যায় বাথরুমে। বোধহয় খানিকটা লজ্জা পেয়েছিল চিতাটি। এই সুযোগে বাথরুমের দরজা আটকে দেন সুমিত। হোটেল কর্তৃপক্ষকে খবর দেন।

হোটেল কর্তৃপক্ষ খবর দেয় বনবিভাগে। পরে বনকর্মীরা এসে চিতার দিকে ঘুমপাড়ানি গুলি ছোঁড়ে। বেগতিক দেখে চিতাবাঘ বাথরুমের জানলা দিয়ে পালায়। ঘন্টাখানেক পরে বনকর্মীদের অন্য একটি দল এসে চিতাকে বাগে আনে। ঘুমপাড়ানি গুলি খেয়ে বেহুশ চিতাকে পরে গভীর জঙ্গলে ছেড়ে দেয় তার।

কয়েকদিন আগে নৈনিতালের রাস্তায় একটি কালো ভালুক দেখা গিয়েছিল। পরে সেই ভালুক নৈনি হ্রদে খানিক্ষণ মজা করে সাঁতার কেটে আবার জঙ্গলে ঢুকে যায়। এরপরেই হানা দিল চিতা। এটা ভালুকটার মতো সভ্য নয়! সোজা ঢুকল কিনা নতুন বর-বউয়ের কামরায়!

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts