আজকের জোকস : ১২ মার্চ ২০১৬

আজকের জোকস

বিয়ে না করার কারণ

প্রবীণ রাজনীতিবিদের সাক্ষাৎকার নিতে এসে সাংবাদিক জানতে চাইলেন, ‘আচ্ছা, আপনি বিয়ে করেননি কেন?’

মুচকি হেসে রাজনীতিবিদ বললেন, ‘এর পিছনে রয়েছে একটি ঘটনা।আজ থেকে বিশ বছর আগে এক অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। আমার সাম্নেই বসে ছিলেন এক শাড়ি পরা মহিলা।

আমি চেয়ার থেকে উঠতে গেলে হটাৎ তার শাড়ির সাথে পা লেগে যায়।

নিচের দিকে তাকিয়েই মহিলা গাধা, উল্ললুক, টিকটিকি, হনুমান, মুখপোড়া বলে শুরু করেন গালাগাল।

হঠাৎ মুখ তুলে আমাকে সামনে দেখতে পেয়ে বলেন, ‍”দুঃখিত, কিছু মনে করবেন না। আমি ভেবেছিলাম এটা বুঝি আমার স্বামীর কাজ”।

 

জেল থেকে ছাড়া পেতাম!

মাঝরাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল স্ত্রীর। চোখ পিটপিট করে তাকিয়ে দেখলেন, স্বামী বিছানায় নেই।
বিছানা থেকে নেমে গায়ে গাউন চাপালেন তিনি। তারপর স্বামীকে খুঁজতে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে এলেন। বেশি খুঁজতে হলো না। রান্নাঘরের টেবিলেই বসে থাকতে দেখা গেল স্বামীকে। হাতে গরম এক কাপ কফি নিয়ে দেয়ালের দিকে তাকিয়ে আছেন তিনি। দেখেই বোঝা যাচ্ছে, গভীর
কোনো চিন্তায় মগ্ন।
মাঝেমধ্যে অবশ্য হাতের রুমাল দিয়ে চোখ থেকে পানি মুছে নিচ্ছেন, তারপর কফি খাচ্ছেন।
‘কী হয়েছে তোমার?’ রান্নাঘরে ঢুকতে ঢুকতে চিন্তিতভাবে বললেন স্ত্রী।
‘এত রাতে রান্নাঘরে কেন?’
স্বামী তাঁর স্ত্রীর দিকে তাকালেন। তারপর গম্ভীর হয়ে বললেন, ‘হঠাৎ ২০ বছর আগের কথা মনে পড়ল।
খেয়াল আছে তোমার, যেদিন আমাদের প্রথম দেখা হয়েছিল। আর তার পর থেকেই তো আমরা ডেট
করতে শুরু করেছিলাম।
তোমার বয়স ছিল ষোলো। তোমার কি মনে পড়ে সেসব?’
স্ত্রী তাঁর স্বামীর চোখের পানি মুছে দিতে দিতে জবাব
দিলেন, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই মনে আছে।’
স্বামী একটু থেমে বললেন,
‘তোমার কি মনে আছে, পার্কে তোমার বাবা আমাদের হাতেনাতে ধরে ফেলেছিলেন?’
‘হ্যাঁ, আমার মনে আছে।’ একটা চেয়ার নিয়ে স্বামীর কাছে বসতে বসতে বললেন স্ত্রী।
স্বামী আবার বললেন, ‘মনে আছে, তোমার বাবা তখন রেগে গিয়ে আমার মুখে শটগান ধরে বলেছিলেন, ‘এক্ষুনি আমার মেয়েকে বিয়ে করো, নয়তো তোমাকে ২০ বছর জেল খাটাব আমি।’
স্ত্রী নরম সুরে বললেন, ‘আমার সবই মনে আছে।’
স্বামী আবার তাঁর গাল থেকে চোখের পানি মুছতে মুছতে বললেন,
‘আজকে আমি জেল
থেকে ছাড়া পেতাম।:((

ফাইনাল

এক মেয়ের বিয়ে হচ্ছে ।

সেখানে তার প্রাক্তন প্রেমিকও এসেছে ।

তাদের ব্রেকআপ সম্পর্কে অজ্ঞ এক লোক এসে জিজ্ঞেস করল, “আপনিই কি বর?”

প্রাক্তন প্রেমিক : “নাহ! আমি তো সেমিফাইনালেই বাদ হয়ে গেছি , ফাইনাল দেখতে আসছি!”

 

ব্যালেন্স শেষ

নাদিয়ার বিয়ের পরদিন তার

বান্ধবী শিল্পীর সাথে দেখা…

শিল্পীঃ কিরে তোর বাসর রাত কেমন

হল?

নাদিয়াঃ আর বলিস না প্রথম কয়েকবার

মিসকল দিলো…তারপর যখন কল

ঢুকলো তখন ব্যালেন্স শেষ…

 

দুই পুরুষ

বাসর রাতে জামাই কে চুপচাপ বসে থাকতে দেখে বউ আর থাকতে না পেরে বলল কি হল?? “কর”…

জামাইঃ কি করব? আমি তো কিছু জানিনা।

বউঃ কোন ব্যাপার না। আমি যা করব তুমিও তাই করবা ,কেমন??

জামাইঃ ঠিক আছে।

(বউ শাড়ী খুলল, দেখে দেখে জামাই শার্ট খু্লল,বউ সায়া খু্লল, জামাই তার প্যান্ট খুলল।

জামাইঃ তারপর

এবার বউ প্যান্টি খু্লল,জামাই তার underwear খু্লল।বউ চিত হয়ে শুইলো। জামাই ও তাই করলো।

জামাইঃ এখন??

বউ এবার দুই পা ফাক করলে জামাই ও তার দুই পা ফাক করলো…

জামাইঃ এরপর??

বউঃ রাগ হয়ে…এইবার এমন কর,তুমি বাইরে গিয়ে দুইজন পুরুষ ডেকে নিয়ে আস,একটা তোমার জন্য আর একটা আমার জন্য!!!

ফুটো

ছেলের বাবা ছেলের বিয়ে দেবেন বলে একটি বাড়িতে মেয়ে দেখতে গেছেন ! যে বাড়িতে মেয়ে দেখতে গেছেন সেখানে এক ভদ্রমহিলার ৩ কন্যা !

প্রথমে তিনি বড় মেয়েকে হাজির করলেন !

ছেলের বাপ মেয়েটিকে ভালো করে দেখে বললেন ” ফুটো ছোটো !

… ভদ্রমহিলা এবার দ্বিত…ীয় মেয়েকে হাজির করলেন এবং ছেলের বাপ আবার বললেন „ফুটো ছোটো !”

ভদ্রমহিলা একটু রেগে গেলেন কিন্তু কিছু বললেন না এবং তিন নম্বর মেয়েকে হাজির করলেন ! ছেলের বাপ বেশ কিছুক্ষণ দেখে বললেন :„ফুটো বড় !”

মেয়ের মা এবার খুব রেগে গিয়ে নিজের শাড়ি উঠিয়ে দিয়ে বললেন „এই ফুটোটা চলবে?”

ছেলের বাপ – „আরে আরে বিয়ান রাগ করেন কেন !! আমার ছেলে তার ডাক নাম ফুটো আপনার বড় দুই মেয়ের চেয়ে ছোটো ! আর ছোট মেয়ের থেকে বড় !” আমি আপনাদের ফুটোর কথা বলিনি !!

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts

Leave a Comment