আজকের জোকস : ১৩ মার্চ ২০১৬

আজকের জোকস

সম্মানসূচক ডিগ্রি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন বাছবিচারহীন সম্মানসূচক ডিগ্রি প্রদানকে নিরুৎসাহিত করতেন।

তিনি এ প্রসঙ্গে একটি গল্প শোনাতেন।

গল্পটি এ রকম—একদিন এক নৈশভোজে অতিসাধারণ এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় হলো আমার, যিনি তিন তিনটে সম্মানসূচক ডিগ্রির অধিকারী। এ বিষয়ে খোঁজ নিতে গেলে আমার এক বন্ধু জানাল, তাঁকে তৃতীয় ডিগ্রিটি দেওয়া হয়েছিল কারণ তাঁর দুটো ডিগ্রি আছে। দ্বিতীয়টি দেওয়া হয়েছিল, কারণ ইতিমধ্যেই তাঁর একটা ডিগ্রি আছে। আর প্রথমটা দেওয়া হয়েছিল তাঁর একটাও ডিগ্রি ছিল না বলে।

সর্দারজীর প্রেমিকা

সর্দারজী তার প্রেমিকাকেঃ কাল আমাদের বাসায় কেউ থাকবে না। তুমি চলে এসো। ইচ্ছে মতো মজা করতে পারবে।

>

>

>

পরদিন প্রেমিকা সর্দারজী এর বাড়ি গেল। সর্দারজী এর বাড়িতে কেউ ছিলো না।

 

সত্যমিথ্যা নির্ণয়

মলি আন্টি তখন ছাত্রী ছিলেন। একবার তিনি পরীক্ষা দিচ্ছিলেন।

পড়ালেখায় গবেট হিসেবে মলি আন্টির দুর্নাম থাকলেও, বেশ ঠাটবাঁট নিয়েই পরীক্ষার হলে আসলেন তিনি। পুরো প্রশ্নটা ‘সত্য মিথ্যা নির্ণয়’ এর উপর। সত্য হলে ‘স’ লিখ, মিথ্যা হলে ‘মি’। মলি আন্টি দেখলেন, প্রশ্নের মাথামুণ্ডু কিছুই বুঝছেন না। তিনি এক প্লান করলেন। পার্স থেকে একটা চারআনা পয়সা বের করে টস করতে লাগলেন। টসে ‘বাঘ’ পড়লে ‘স’ আর ‘শাপলা’ পড়লে ‘মি’।

দশ মিনিটেই তার সব উত্তর করা শেষ। কিছুক্ষণ পর গার্ড দেখলেন মিস মলি ত্রস্ত নয়নে বাতাসে পয়সা ছুড়ছেন আর দরদর করে ঘামছেন।

“কী হলো, এমন উৎকণ্ঠিত দেখাচ্ছে যে? প্রশ্ন কি বেশী কঠিন হয়েছে নাকি?” জিজ্ঞেস করলেন গার্ড।

“আরে আমার তো কবেই সব উত্তর করা শেষ।”, বললেন মলি আন্টি।

গার্ড জিজ্ঞেস করলেন, “তাহলে এমন উৎকণ্ঠার কারণ কি?”

-“না মানে, এখন উত্তরগুলো আবার মিলিয়ে দেখছি।”

 

 

ত্রিজাতিতত্ব

 

দ্বিতীয়বিশ্বযুদ্ধ লাগার খবর শুনে এক পেন্সনপ্রাপ্ত বুড়ো শিখ মেজর জিজ্ঞেস করলেন, “কে কার বিরুদ্ধে লড়ছে?”

“ইংরেজ-ফরাসী, জর্মনদের বিরুদ্ধে।”

সর্দারজী আপসোস করে বললেন, “ফরাসী হারলে দুনিয়া থেকে সৌন্দর্যের চর্চা উঠে যাবে, আর জর্মন হারলেও বুরী বাৎ, কারণ জ্ঞান-বিজ্ঞান, কলাকৌশল মারা যাবে।” তবে ইংরেজদের ব্যাপারে সর্দারজী চুপ।

“আর যদি ইংরেজ হারে?”

সর্দারজী হাত বুলিয়ে বললেন, “তবে দুনিয়া থেকে বেইমানি লোপ পেয়ে যাবে।”

-সৈয়দ মুজতবা আলী, পঞ্চতন্ত্র

 

 

ঘুমের ওষুধ

মলি আন্টি গেলেন ডাক্তারের কাছে।

“ডাক্তার সাহেব, সারা রাত আমার বাসার আশপাশের কুকুরগুলো এমন ঘেউ ঘেউ করে না, যে আমি ঘুমাতেই পারিনা। কি করি বলেন তো?”

“ঠিকাছে” বললেন ডাক্তার। “এসব শব্দ-টব্দ কোনো ব্যাপার না। আমি আপনাকে কিছু ঘুমের বড়ি লিখে দিচ্ছি।” ডাক্তার সাহেব প্যাডে আঁচড় দিয়ে ওষুধপত্তর লিখে মলি আন্টির হাতে কাগজটা ধরিয়ে দিলেন।

কিছুদিন পর মলি আন্টি আবার ফেরৎ এলেন। এবার তার শরীরটা আরও ভেঙে গেছে। “ডাক্তার সাহেব, কোন কাজইতো হচ্ছেনা। আমাকেতো এখনও নির্ঘুম রাতই কাটাতে হচ্ছে।”

“বলছেন কি? আপনাকে যে দাওয়াই দিয়েছি, সেগুলোর চেয়ে ভালোতো বাজারে আর কিছুই নেই।”

“হুম হতে পারে।” বললেন মলি আন্টি। “কিন্তু ওই হতচ্ছাড়া কুকুরগুলোকে কোনমতে ধরা গেলেও সেগুলোর মুখ খুলে ঘুমের বড়িগুলো ঢুকিয়ে দেওয়াটা কিছুতেই সম্ভব হচ্ছেনা।”

বেবুঝ

মলি আন্টি আর তার বান্ধবী জলি আন্টি বসে গল্প করছিলেন, এমন সময় দেখতে একজন সুদর্শনমত লোক হাতে এক আঁটি গোলাপ নিয়ে এগিয়ে আসছেন। মলি আন্টি বললেন, “জলি, উনি না তোমার স্বামী, যার হাতে গোলাপ ফুল ধরা।”

জলি আন্টি বললেন, “হুম।”

“বাঃ তুমি কি ভাগ্যবতী”, বললেন মলি আন্টি “তোমার স্বামী তোমাকে কতই না ভালোবাসেন।”

“আরে ধুর!” বললেন জলি আন্টি। “পাম-পট্টির সিস্টেম আরকি! এর মানে হল, আগামী একসপ্তা আমাকে- কি সোফা-কি-বিছানায়- উদোম পিঠ ঠেকিয়ে, পা দুটো উদার ফাঁক করে ছড়িয়ে রাখতে হবে।”

মলি আন্টি বেবুঝ দৃষ্টিতে তাকালেন। রুক্ষ স্বরে তিনি বললেন, “কেন? তোমাদের বাসায় কি ফুলদানি নেই?”

 

ব্যবসামন্দা

মোতা সাহেবের দিনকাল তেমন ভালো যাচ্ছে না।

তিনি স্ত্রী, মলি আন্টিকে বললেন, “ধুর ব্যবসা-বাণিজ্যে একেবারে বরকত চলে গেছে। শেয়ার মার্কেটেও মার খাচ্ছি দিন দিন। এখন খরচাপাতি কিছু বাঁচিয়ে চলতে হবে।”, দীর্ঘশ্বাস ঝাড়লেন তিনি। “শোনো, তুমি রান্নাবান্নাটা ঠিকভাবে করতে শিখলেইতো পারো। তাহলে বাবুর্চিটাকে বিদায় করে দিতে পারি।”

মলি আন্টি আয়েশে জবাব দিলেন, “তুমিও বিছানায় একটু দক্ষ হলেই পারো। তাহলে ড্রাইভারটাকেও বিদায় করে দিতে পারি।”

 

লালুজি

 

লালু প্রসাদ যাদব এক বার Microsoft এ Job এর জন্য Apply করলেন।কিছু দিন পর ওই Application এর reply আসলো। ওই চিঠি পেয়েই লালুজি সংবাদ সম্মেলন ডাকলেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি ঘোষনা দিলেন, “ভাই অর বেহেন, হামকো আমেরিকা মে নকরি মিল গায়া।” ঘোষনা শুনে উপস্থিত সবার মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠলো।

লালুজি বলতে লাগলেন, “ম্যায় আপলোগোকো মেরা জব অফার লেটার হিন্দিমে পাড়কে সুনােয়েেঙ্গ”।

লালুজি পড়া শুরু করলেন, Dear Laluji, প্যয়ারে লালুজি

you don’t meet “আপতো মিলতেহে নেহি”

our requirement “হামকো তো জরুরত হ্যয়”

Please don’t send any further letter “আব কোই লেটার ভেজনেকি জরুরত নেহি”

Not even phone call “ফোন করনেকি কোই জরুরত নেহি”

will be entertained “বহুত খাতির কিয়া যায়েেঙ্গ”

[Dear Laluji, you don’t meet our requirements. Please don’t send any further letter. Not even phone call will be entertained]

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts

Leave a Comment