আজকের জোকস, ২৭ মার্চ ২০১৬

আজকের জোকস

সবকথা দু’বার বলতে হয়

পত্রিকার পাতায় চোখ রেখে স্বামী স্ত্রীকে বললেন, কী লিখেছে দেখো, স্বামীরা যেখানে গড়ে প্রতিদিন পাঁচ হাজার শব্দ ব্যবহার করে, সেখানে স্ত্রীরা করে দশ হাজার শব্দ!

স্ত্রী: ঠিকই তো আছে! স্ত্রীদের যে প্রতিটা কথা দুবার করে বলতে হয়।

স্বামী: কী বললে?

 

ওটা কী করে খাবেন

প্রথমবারের মতো হাবলু গেছে রেস্তোরাঁয় খেতে।

কিছুক্ষণ পর ওয়েটার একটা মেন্যুবই নিয়ে হাবলুর সামনে এসে বলল, ‘স্যার, কোনটা খাবেন?’

হাবলু মেন্যুবইয়ে খাবারের নামগুলো ভালো করে দেখে একদম শেষেরটাতে আঙুল রেখে বলল, ‘এটা দিয়ে দিন।’

ওয়েটার বলল, ‘স্যার, এটা তো আপনি খেতে পারবেন না।’

হাবলু বলল, ‘মেন্যুতে লিখে রেখেছেন অথচ এখন বলছেন, এটা খেতে পারব না। এটা কেমন ফাজলামো।’

‘স্যার, আপনি শেষেরটা দেখিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু শেষেরটা হচ্ছে এই রেস্টুরেন্টের মালিকের নাম। ওটা কী করে খাবেন, স্যার।’ ওয়েটারের জবাব।

 

গাড়ির ভেতর স্ত্রী

এক ব্যক্তি হাঁপাতে হাঁপাতে পুলিশ স্টেশনে গিয়ে বলল-“অফিসার জলদি আসুন, আমি ভুল করে চাবি ভেতরে রেখে গাড়ির দরজা লক করে ফেলেছি।’

অফিসার আশ্চর্য হয়ে বলল-‘আরে এতে এত উত্তেজিত হবার কী আছে?

‘কথা পরে বলুন আগে জলদি চলুন … এক ঘন্টা ধরে ওই গাড়ির ভেতর আমার স্ত্রী ও দুই বাচ্চা আটকে আছে …।

 

পিজাটা কয় ভাগ

একজন শেয়ার ব্যবসায়ী রেস্টুরেন্টে পিজা খেতে গেছেন।

ওয়েটার: স্যার, আপনাকে পিজাটা কয় ভাগ করে দেব? চার ভাগ, না ছয় ভাগ?

শেয়ার ব্যবসায়ী: তুমি বরং আমাকে আট ভাগ করে দাও, আমি একটু বেশি ক্ষুধা অনুভব করছি কিনা…!

 

বিয়ের আগে ও পরে

বিয়ের আগে

বিয়ের কথা ভাবা হচ্ছে বুদ্ধিমত্তার বিপক্ষে কল্পনার জয়।

দুজনই বলে, তারা একে অন্যের জন্য নরকে পর্যন্ত যেতে রাজি।

তারা এমনই ভালোবাসে, যে ভালোবাসা অন্ধ!

মনে হয় অনেক ঝক্কিঝামেলা পেরোনোর পর বিয়ে করতে হবে।

ছেলেরা ভাবে, তাদের জীবনে কোনো ভুল নেই।

বিয়ের পরে

দ্বিতীয় বিয়ের কথা ভাবা হচ্ছে অভিজ্ঞতার বিপক্ষে আশাবাদের জয়।

তাদের সে আশা পূর্ণ হয়েছে, তারা একসঙ্গেই সংসার করে।

তাদের চোখ খুলে যায়।

মনে হয় বিয়ের পরই আসলে অনেক ঝক্কিঝামেলা শুরু হতে যাচ্ছে।

থাক সে কথা! এটা ছাপা হওয়ার দুই দিন পরে হলেও তো আমাকে বাসায়ই ফিরতে হবে। তাই না?

 

মাংস দুর্বল বিরোধী দলের মতো

রেস্টুরেন্টে সাংসদের খাওয়া শেষ হলে তাঁর কাছে এগিয়ে এল রেস্টুরেন্টের শেফ।

জিজ্ঞেস করল, আলু-মাংসের ডিশটা কেমন লেগেছে আপনার?

—কীভাবে বলি! ওই ডিশে ছিল আলুর নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা।

আর মাংস ছিল দুর্বল বিরোধী দলের মতো।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts

Leave a Comment