আজকের জোকস, ২৯ এপ্রিল ২০১৬

Jokes of Today
Share Button

বিয়ের প্রস্তাব

প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্য তুমুল ঝগড়া চলছে।

এক পর্যায়ে প্রেমিকা তার প্রেমিককে বলল, আমার চোখের সামনে থেকে দূর হয়ে যাও। তুমি জীবনেও শান্তি পাবে না, সারা জীবন কষ্টে কষ্টে কাটবে।

এই শুনে প্রেমিক বলল, তুমি কি সত্যি সত্যি আমাকে চলে যেতে বলছ নাকি তোমাকে বিয়ে করার কথা বলছ?

 

সবকিছু তৈরিই আছে

এক বড় চাষীর একমাত্র মেয়েকে বিয়ে করার জন্য ঘটক এক দিনমজুরকে প্রস্তাব দিলেন।

প্রস্তাব শুনে দিনমজুর বলে, আমাকে কয়েকটা দিন সময় দিন। কিছু টাকাপয়সা রোজগার করে নিই।

ঘটক : টাকাপয়সা রোজগারের চিন্তা তোমাকে করতে হবে না।

সব সম্পদের মালিক তো তুমিই হবে।

এমনকি বাপ হওয়ার জন্যও তোমার পাঁচ মাসের বেশি অপেক্ষা করতে হবে না। সবকিছু তৈরিই আছে।

 

প্রতিবাদ

ঝন্টু বলছে মন্টুকে—জানিস, লিপি আমার হূদয় ভেঙে দিয়েছে। কিন্তু আমার চেয়ে ও বেশি কেঁদেছে।

মন্টু: কেন?

ঝন্টু: কারণ, প্রতিবাদস্বরূপ আমি ওর নতুন আইফোনটা ভেঙে দিয়েছি।

কনফেশন

ছেলেটি শোনে তার বন্ধুরা “কনফেস” করতে প্রতি সপ্তাহে চার্চে যায়। তাকেও যেতে বলে।

এক সপ্তাহে কৌতূহলবশত সে-ও চার্চে যায় কনফেস করতে। কিন্তু কনফেস করার মত কোন বিষয় খুঁজে পায় না।

পরের সপ্তাহে কনফেসের ব্যাপারটি সহজ হয়ে যায়। বিষয়বস্তু- পাদ্রীর সাথে এনাল সেক্স।

 

সেক্স মানে কী?

ছয় বছরের এক বাচ্চা তার বাবার কাছে এসে জিজ্ঞাসা করে–”বাবা, সেক্স মানে কী?”

“বাবা বেশ চিন্তায় পড়ে গেলেন। ভাবলেন, এসব বিষয়ে কৌতুহলই ছেলেমেয়েদের বিপথে টেনে নেয়। তাই কৌতুহল জেগে উঠার আগেই তার সব বিষয়ে জানা উচিৎ।

তাই এই বিষয়ে তিনি একে একে সব বুঝিয়ে বলা শুরু করলেন। প্রায় ৩০ মিনিট ধরে বাচ্চাকে বোঝালেন, সেক্স কি, বিয়ে কি, জন্মদানের প্রক্রিয়া, সেক্স করার প্রয়োজনীয়তা, বিয়ের আগে সেক্স করার নিষেধাজ্ঞা… ইত্যাদি ইত্যাদি…

সব কথা শেষে ছেলে বললো, “সবই বুঝলাম বাবা। কিন্তু যেটা বুঝতে চেয়েছিলাম সেটাই তো বুঝলাম না।”

এই বলে সে দৌড়ে গিয়ে স্কুলের এডমিশন ফর্ম এনে দেখালো।

যেখানে লেখা– Sex: Male/Female

 

ওহ শিট!

তিনজন নানের মধ্যে কথা হচ্ছিল। প্রথম জন বলল, ‘ফাদারের ঘর পরিস্কারের সময় আমি কি পেয়েছিলাম জানো? অনেকগুলো পর্ণগ্রাফিক ম্যাগাজিন!’

‘তো তুমি সেগুলো দিয়ে কী করলে?’ অন্য জন্য জিজ্ঞেস করল।

‘ফেলে দিয়েছিলাম।’

দ্বিতীয়জন বলল, ‘গতকাল আমি তার ঘরে অনেকগুলো কনডম পেয়েছিলাম।’

অন্য দুইজন খুব অবাক হল। পরে জিজ্ঞেস করলো সে সেগুলো কী করেছে।

দ্বিতীয়জন বলল, ‘সবগুলা ছিদ্র করে রেখে দিয়েছিলাম।’

তৃতীয়জন বলল, ‘ওহ শিট!’

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts