জোকস: গার্লফ্রেন্ডের ফোন নিয়া ঘুরতাছোস! মতলবটা কী?

জোকস

(১)
অসুস্থ স্ত্রী ফোনে স্বামীকে: শুনছো! ডাক্তার সাহেব বলেছেন আমার অসুখটা মনে, শরীরে না।

স্বামী: তো?

স্ত্রী: ডাক্তার আরো বলেছেন একমাসের জন্য সুইজারল্যান্ড না হয় অন্তত কাশ্মির ঘুরে আসতে। তাহলেই সুস্থ হয়ে যাবো!

স্বামী: হুম!

স্ত্রী: হুম হুম করছো কেন! এখন আমাদের কী করা উচিৎ?

স্বামী: অন্য ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিৎ…

(২)
নয়া ফোন কিনলি কবে দোস্ত?

নয়া ফোন না। গার্লফ্রেন্ডের ফোন।

গার্লফ্রেন্ডের ফোন নিয়া ঘুরতাছোস! মতলবটা কী?

দেখা হইলেই বেটি প্যানর প্যানর করে- আমার ফোন রিসিভ করোনা কেন? আমার ফোন ধরনা কেন? আইজকা সুযোগ পাইছি- রিসিভ কইরা নিয়া আইছি…

ও কিছু বলে নাই?

বলবো কেমনে? দেখেই তো নাই…

(৩)
বস: অফিসে যেসব পুরুষ অধিক সময় কাটায়, হামেশা ওভারটাইম করে তারা আসলে খুব পরিশ্রমী। এদের স্ত্রীরা খুব সুখী…

মন্টুর বাপ: না স্যার! আসল কারণ হইলো- হয় বাড়িতে এরা সারাক্ষণ বউয়ের নির্যাতনের শিকার নয়তো অফিসে অন্য কারো আকর্ষণের শিকার…

(৪)
নাইটকোচ রওনা হয়েছে ঢাকার কলাবাগান থেকে টেকনাফের পথে। কুখ্যাত ইয়াবা পাচারকারী সন্ত্রাসী হেলমেট-জামানও আছে যাত্রীদের মাঝে।

হেলমেট-জামান: সুপারভাইজার! ভোর ৪টার দিকে আমাকে সীতাকুণ্ডে নামিয়ে দিবেন। আমি না জেগে থাকলে ডেকে তুলবেন। নামতে না চাইলে জোর করে নামিয়ে দেবেন। অনেক জরুরি কাজ রয়েছে আমার…

সকাল ৮টায় ঘুম ভাঙলো জামানের। তার চোখ ছানাবড়া। বাস তখন চট্টগ্রাম শহর ছাড়িয়ে পটিয়ায়।

হাতে হেলমেট নিয়ে বসে থাকা জামান বাস-কাঁপানো চিৎকার দিয়ে উঠলো: অই হারামি কন্ডাক্টরের বাচ্চা! আমারে ভোর ৪টায় সীতাকুণ্ডে নামাস নাই কেন?

সুপারভাইজার: স্যার, আমি সুপারভাইজার। লোকাল বাসের কন্ডাক্টর না!

জামান : তুই যেই হস, হেলমেট দিয়া পিটায়া তোর চাপার দাঁত আইজকা খুইলা ফালামু সব…তুই মাইনষের জাতই না… তোরে জুতা দিয়া পিটায়া কোলবালিশ বানামু…তুই একটা বজ্জাত, ইতর, বলদ, নালায়েক, কমিনা… কুকুর-বিড়াল-শুয়োরও তোর চেয়ে ভাল…

এরপরও জামান গালি দিয়েই চলেছে বিরতিহীন। সুপারভাইজারের মুখে কোনো কথা নেই।

এবার ড্রাইভার হাঁক ছাড়লো: কথা নাই ক্যান সুপারভাইজার! মুখে কি তালা দিছো নাকি? এত গালি দিতাছে লোকটা তোমারে। আমারই তো শরম করতাছে!

সুপারভাইজার: কী কমু ওস্তাদ! আমি তো ভাবতাছি ভোরে জোর কইরা যারে সীতাকুণ্ডে নামায়া দিলাম, হেই লোক আমারে কতো গালি দিতাছে জানি অহন…

(৫)
মাথায় মারাত্মক আঘাত নিয়ে এক সর্দারজী গিয়েছে পরিচিত ডাক্তারের কাছে।

সর্দারজী: ডাক্তার, তাড়াতাড়ি কিছু করো! আহ্‌, শেষ হয়ে গেলাম!

ডাক্তার: কীভাবে এমন হলো, সর্দারজী!

সর্দারজী: আর বলো না। পাথর দিয়ে ইট ভাঙছিলাম বাড়ির কাজের জন্য। সামনে দিয়ে এলাকার স্কুলের মাস্টার যাচ্ছিল। সে বললো: সর্দারজী, মাঝে-সাঝে মাথাটাও কাজে লাগাও।

ডাক্তার: তো কী হয়েছে?

সর্দারজী: তার কথা মতো পাথরের বদলে মাথা দিয়ে ইট ভাঙার চেষ্টা করি এরপর…

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts