কিশোরীদের পিরিয়ড হওয়ার লক্ষণ

কিশোরীদের পিরিয়ড হওয়ার লক্ষণ
Share Button

মাসিক সম্পর্কে প্রত্যেক মায়েদেরই সচেতন থাকা উচিত তাঁর কিশোরী মেয়েদের প্রতি। কারণ কখন প্রথম ঋতুস্রাব হবে তা কিশোরী মেয়েরা বুঝতে পারে না। কারণ আমাদের দেশের অধিকাংশ কিশোরীদের ঋতুস্রাব সম্পর্কে কোনো ধারনাই থাকে না।
যার ফলে প্রথম যখন তাদের ঋতুস্রাব আরম্ভ হয় এবং যোনিপথ দিয়ে রক্ত বের হয় তখন তাঁরা ভয় পেয়ে যায় এবং রক্ত কাপড়ে লেগে যাওয়ার কারনে তারা বিব্রতবোধ করে।

কেউ ভয়ে মা অথবা বাড়ির বড় কাউকে জানায় না। এ অবস্থায় মানসিক ভাবে সে বিভিন্ন জটিলতার মুখে পড়ে যায়।
কিশোরীর প্রথম ঋতুর সময়টি এমন হওয়া ঠিক নয়। সচেতন ভাবেই বাড়ির বড়দের বিষয়টি দেখা উচিত অথবা মাকেই তাঁর কিশোরী মেয়েদের প্রতি যত্নশীল হওয়া উচিত এবং তাঁর সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলা উচিত।

কিশোরীদেরকে এব্যাপারে বুঝিয়ে বলা উচিত। এতে কিশোরীরা ভয় পাবেনা এবং মানসিকভাবে ভেঙ্গেও পড়বেনা।
কিন্তু আমাদের দেশের অনেক নারীই স্বল্প শিক্ষিত হবার কারনে শারীরিক জ্ঞান তেমন রাখে না যার ফলে নিজের সন্তানদেরকেও তাঁরা ভালো গাইড লাইন দিতে জানে না।

কিন্তু কিশোরীদের এ শূন্য স্থানটি পূরণ করতে পারে তার স্কুল শিক্ষিকা। ছেলেদেরকে বাদে মেয়েদের জন্য আলাদা ক্লাস নিয়ে কিশোরীদের সাময়িক সমস্যার জন্য সচেতন করে তুলতে পারেন।

এসময় তাদের কি করা উচিত এবং কি করা উচিত নয় শিক্ষিকা বুঝিয়ে দিলে আমাদের দেশের মেয়েদের জন্য অনেক ভালো হবে এবং তাঁরা ঘাবড়ে যাবে না।

কখন মাসিক শুরু হয় অধিকাংশ কিশোরী তা জানে না। এমন কি মাসিক বা ঋতুস্রাব বলে কিছু আছে তাও অনেক মেয়ে জানেনা।
যখন শুরু হয় তখন এর সাথে পরিচিতি হয় যে মেয়েদের মাসিক বলে একটি সাময়িক সমস্যা আছে যার ফলে যোনিপথ দিয়ে রক্ত যায় এবং এটি কিছু দিন অতিবাহিত হবার পর এমনেতেই ভালো হয়ে যায়। কিন্তু ঋতুস্রাব শুরু হওয়ার আগে কিছু কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায়।

সেগুলো প্রতি একটিু খেয়াল করলেই কিশোরীর নারী হওয়ার সময়টি বুঝা সহজ হয়ে যায়।
সাধারণত ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সের মধ্যেই কিশোরী শরীর ও মনে নারী হয়ে ওঠে।

আর শরীরের দিক দিয়ে নারী হয়ে ওঠার বিষয়টিই হলো মাসিক বা ঋতুস্রাব। তাহলে জেনে নেয়া যাক কিশোরীর প্রথম ঋতুস্রাবের আগে কী কী লক্ষণ প্রকাশ পায়।

ঋতুস্রাবের লক্ষণসমূহ কি কি :-

০১. স্তনের বোঁটা ফুলে ওঠা এবং স্পর্শে ব্যথা লাগা
০২. মাথা ব্যথা
০৩. মাথা ঘোরা
০৪. অবসাদ
০৫. খাবারের প্রতি তীব্র আগ্রহ
০৬. গ্যাস হওয়া বা ঢেকুর তোলা এবং ওজন বৃদ্ধি
০৭. মুখে ব্রুণ হওয়া
০৮. মেজাজের পরিবর্তন, বিরক্তিভাব বেড়ে যাওয়া, অস্থিরতা এবং বিষাদগ্রস্ততা ও
০৯. ডায়রিয়া কিংবা কোষ্ঠকাঠিণ্য।

এসব লক্ষন প্রকাশ পাওয়ার পূর্বেই কিশোরীকে ঋতুস্রাব সম্পর্কে ধারণা দেয়া বাড়ির মা অথবা বড় বোনদের কর্তব্য।
তারই সাথে তাকে স্যানিটারি ন্যাপকিন অথবা সতী কাপরের প্যাড ব্যবহারও শিখিয়ে দেয়া উচিত।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে রক্ষণশীল ভাব মন থেকে প্রত্যেক মা বাবাদেরই এতটা আনা উচিত নয়।
কারণ এই সকল বিষয় সম্পর্কে মেয়েদের সচেতন করাটা প্রত্যেক মায়েদেরই কর্তব্য।

তা না হলে এর থেকেও জন্ম নিতে পারে অন্য কোন শারীরিক ও মানসিক সমস্যা।

ভিডিও দেখুন নিচে-

https://youtu.be/3Z61IaEDqMQ

 

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts