থেমে যাওয়া হৃদস্পন্দন চালু করলেন ডাক্তাররা!

Doctor
Share Button

অন্তত ৪৫ মিনিট হৃদযন্ত্র বন্ধ থাকার পর আবার সেটাকে চালু করতে সক্ষম হয়েছেন চেন্নাইয়ের ফোর্টিস ম্যালার হাসপাতালের ডাক্তাররা।

জয়সুকভাই ঠাকুরকে যখন পরবান্দর থেকে হেলিকপ্টারে করে চেন্নাইতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তখন তার হৃদযন্ত্রের অবস্থা ছিল গুরুত্বর।

চেন্নাইয়ের হাসপাতালে এক সপ্তাহ থাকার পর তিনি সুস্থ হতে শুরু করলেন, বিপদ কেটে গেলো।

কিন্তু ঠিক এইসময় তার হৃদপিণ্ড হঠাৎ থেমে গেলো।

প্রায় ৪৫ মিনিট হৃদযন্ত্র বন্ধ থাকার পর আবার সেটাকে চালু করতে সক্ষম হয়েছেন চেন্নাইয়ের ফোর্টিস ম্যালার হাসপাতালের চিকিৎসকরা।

৪৫ মিনিট ক্লিনিক্যালি ব্রেন ডেড বা মৃত ঘোষণা করার পর আবার সুস্থ হয়ে তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন।

ডাক্তাররা বলেছেন, ঠাকুরের হৃদস্পন্দন শোনার জন্য তারা কঠোর প্রচেষ্টা করেছেন এবং এমন কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিলেন যেটা চেন্নাইয়ের চিকিৎসা সুনাম আরও কয়েকধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।

ঠাকুরের স্ত্রীর চিৎকার শুনে নার্স এবং ডাক্তার ছুটে যান। গিয়ে দেখেন তার হৃদপিণ্ড থেমে গেছে। সেটা আবার চালু করার জন্য তারা ৩০ মিনিট চেষ্টা করেন। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ রবিকুমার বলেছেন, এটা খুবই উত্তেজিত তীব্র একটা ঘটনা ছিল। আমরা জানতাম এটা- হয় চেষ্টা করলে বাঁচবে, নয়তো মরবে- এমন একটা মুহূর্ত।

ঠাকুরের ডায়ালেটেড কার্ডিয়ো মায়োপ্যাথি রোগ ছিল। চেন্নাইয়ের উন্নত চিকিৎসা প্রযুক্তি এবং ডাক্তার ও নার্সের সমন্বিত দক্ষ প্রচেষ্টায় প্রাণ ফিরে পেয়েছে জয়সুকভাই ঠাকুর। হৃদপিণ্ড বন্ধ হওয়া মাত্রই মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এতো দীর্ঘ সময় মস্তিষ্ক মৃত থাকার পর আবার চালু হওয়াটা চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিরল ঘটনা।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts