পাক-ভারত যুদ্ধের সম্ভাবনা ক্রমেই বাড়ছে

পাক-ভারত পরমাণু যুদ্ধ

পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধের সম্ভাবনা ক্রমেই বাড়ছে। যে কোন সময় তারা যুদ্ধে জড়িয়ে পরতে পারে। এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা নাসের খান জানজুয়া।

তার মতে, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপড়েন পরমাণু যুদ্ধ পর্যন্ত গড়াতে পারে। দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি সূক্ষ্ম ভারসাম্যের উপর দাঁড়িয়ে। ফলে পরমাণু যুদ্ধের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। শুধু ভারতকেই নিশানা করা নয়, পাক ও চীনকে ঘিরে মার্কিন প্রশাসনের নীতিরও সমালোচনা করেছেন তিনি।

দাবি করেছেন, চীনকে ঠেকাতেই দিল্লির সঙ্গে জোট গড়ে এগোচ্ছে ওয়াশিংটন। পাকিস্তানকে ছাপিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প ঝুঁকেছেন ভারতের দিকে।

সোমবার ইসলামাবাদের একটি আলোচনা সভায় জানজুয়ার এই বক্তব্যের পরেই মার্কিন প্রশাসন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পাকিস্তানের ঢিলেমি নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

পাকিস্তানের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অভিযোগ এনেছিলেন, আফগানিস্তানে এখন শক্তিশালী হচ্ছে তালেবান। আর আমেরিকা নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে দোষ চাপাচ্ছে ইসলামাবাদের উপর।

তবে এবার ট্রাম্প আমেরিকার যে নতুন ‘জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল’ ঘোষণা করেছেন, তাতে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে রাজি। তবে ইসলামাবাদকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে এর জন্য তাদের জমিতে ঘাঁটি গেড়ে বসা জঙ্গিদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে হবে। ৯/১১-এর হামলার পর থেকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের নামে ৩৩ বিলিয়ন ডলার মার্কিন সাহায্য পেয়েছে পাকিস্তান।

তবে এবার আমেরিকার হুঁশিয়ারি, ওয়াশিংটনকে নিশানা করছে যে জঙ্গিরা, তাদের মদদ দেওয়া হলে কোনও সমঝোতাই সম্ভব নয়।

জানজুয়া চীনকে তাদের বন্ধু হিসেবে তুলে ধরে মার্কিন নীতির তুমুল সমালোচনা করেছেন। তার দাবি, পাকিস্তানের অধিকৃত কাশ্মীরের উপর দিয়ে চীনের ‘মহাসড়ক’ প্রকল্পের গুরুত্বকে মেনে নিতে পারছে না আমেরিকা। বরং তারা এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। এজন্যই আফগানিস্তানে পাকিস্তানকে ছাপিয়ে ভারতকে গুরুত্ব দিতে আগ্রহী ওয়াশিংটন। কাশ্মীর নিয়েও ট্রাম্প প্রশাসন পাকিস্তানের থেকে ভারতের কাছাকাছি রয়েছে।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts