বন্দিদশা থেকে ১২ কিশোরী উদ্ধার, যৌন নির্যাতন করা হতো তাদের?

le caplan
Share Button

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যে লি ক্যাপলান নামের এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে ১২ নারীকে উদ্ধার করা হয়েছে। ওই নারীরা বন্দী জীবন-যাপনে বাধ্য হয়েছিল। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়।

ক্যাপলানের প্রতিবেশী জেন বেটজে জানান, বছর খানেক ধরেই কোথায় যেন একটা খটকা লাগছিল তার। নিজের মধ্যে এই বিষয়টা আটকে রাখতে না পেরে স্বামীকে সে কথা বলেও ফেলেন। শহরতলির শান্ত জীবনের সঙ্গে কেমন যেন বেখাপ্পা লাগে লি ক্যাপলানের বাড়ির বাগানে ঘুরে বেড়ানো মেয়েদের মুখগুলো। সব সময়ই কেমন যেন একটা বিষাদ ফুটে ওঠে তাদের চেহারায়।

কারো মুখে কখনো হাসি দেখা যায়নি। খেলাধুলাও করে না মেয়েগুলো। সারাক্ষণ কেমন যেন একটা ভয় তাড়া করে বেড়ায় ওদের। এ বিষয়ে পুলিশকে জানানো হলে পেনসিলভেনিয়ার লোয়ার সাউদাম্পটন এলাকার বাসিন্দা ক্যাপলানের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় ১২ নারীকে। এদের বয়স ছয় থেকে আঠারো।

পুলিশ জানিয়েছে, আঠারো বছরের এক নারীর দু’টি কন্যাসন্তানও রয়েছে। পুলিশের ধারণা, দুই সন্তানসহ বাকি ন`জনই ক্যাপলানের সন্তান। ক্যাপলানের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনসহ একাধিক অভিযোগ গঠন করেছে পুলিশ। ক্যাপলান পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন, ওই কিশোরীর দুই কন্যাসন্তানের বাবা সে। তবে জেরায় ক্যাপলান দাবি করেছে, চার বছর আগে ওই কিশোরীকে উপহার হিসেবে পেয়েছিলেন তিনি। ওই কিশোরীর মা-বাবাই তাকে ক্যাপলানের হাতে তুলে দিয়েছিলেন।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে ওই কিশোরীর বাবা জানিয়েছেন, এক সময় তাদের দুরবস্থায় আর্থিক সাহায্য করেছিল ক্যাপলান। তার প্রতিদান হিসেবেই নিজের মেয়েকে ক্যাপলানের হাতে তুলে দেন তারা। কিন্তু বাকি মেয়েদের কেন এভাবে আটকে রাখা হয়েছে তা এখনো জানা যায়নি।

খাঁচায় রাখা মুরগির মতো থাকত ওই ১২ কিশোরীরা। ক্যাপলানের যৌন অত্যাচারের শিকার আঠারো বছরের কিশোরীর প্রথম সন্তান হয় মাত্র ১৪ বছর বয়সে। বাকিদেরও একই ভাবে যৌন নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts