ভারতে চলন্ত গাড়িতে শিক্ষিকাকে গণধর্ষণ

ভারতে চলন্ত গাড়িতে শিক্ষিকাকে গণধর্ষণ

ভারতের জনাকীর্ণ মহাসড়কগুলোও এখন আর নারীদের জন্য নিরাপদ নয়। পর পর দুটি ঘটনা এই ইঙ্গিতই দেয়। ২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর দিল্লির গুরগাও এলাকায় চলন্ত গাড়িতে এক মেডিকেলে পড়ুয়া ছাত্রীর গণধর্ষণ ও মৃত্যুর পর দেশটির সড়কগুলোতে প্রায়ই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে থাকে।

ভারতের উত্তর প্রদেশে মঙ্গলবার গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক স্কুলশিক্ষিকা। তাকে দিল্লি-লক্ষৌ মহাসড়কের বারেলি এলাকা থেকে অপহরণের পর ধর্ষণ করা হয়েছিল বলে এনডিটিভি জানিয়েছে। মাত্র ৩ দিন আগে ওই একই সড়কের বুলান্দশাহ এলাকায় গণধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন এক মা ও মেয়ে।

এনডিটিভি বলছে, মঙ্গলবার বারেলি জেলার ওই মহাসড়ক দিয়ে পায়ে হেঁটে স্কুলে যাচ্ছিলেন ওই শিক্ষিকা। এসময় একটি গাড়ি এসে তার গতিরোধ করে। গাড়িতে থাকা দুই পুরুষ অস্ত্রের মুখে জোর করে তাকে গাড়িতে তুলে নেয়। চলন্ত গাড়িতেই তারা ওই নারীর ওপর চালায় পাশবিক নির্যাতন। পরে মহাসড়কের ধারে এক ক্ষেতে ওই শিক্ষিকাকে ফেলে রেখে যায়। তবে চলে যাওয়ার আগে তারা ওই নারীকে এই বলে শাসায়, পুলিশকে জানালে তারা ওই গণধর্ষণের সময় ধারণকৃত ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেবে।

কিন্তু ধর্ষকদের হুমকি অগ্রাহ্য করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন ওই নারী। যদিও এ ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

গত শনিবার এই দিল্লি-লক্ষৌ মহাসড়কের বুলান্দশাহ এলাকায় গাড়ি থেকে নামিয়ে এক মা ও তার ১৪ বছরের মেয়েকে গণধর্ষণ করেছিল পাঁচ দুর্বৃত্ত। পরে এ ঘটনায় জের ধরে ওই এলাকার পুলিশ ইন্সপেক্টরকে বরখাস্ত করা হয়।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts