যুক্তরাষ্ট্রে পরমাণুর সুইচ উত্তর কোরিয়ার সুইচের চেয়ে বেশি শক্তিশালী, ট্রাম্প।

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কিম জং উন

আমার পরমাণু বোমার সুইচ উত্তর কোরিয়া নেতা কিম জং উনের বোমার সুইচের চেয়ে ‘অনেক বড়’ এবং ‘বেশি শক্তিশালী’,বলেছেন অামেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

পরমাণু অস্ত্রধর দুই দেশের নেতার মধ্যে ব্যক্তিগত পর্যায়ে যে বাকযুদ্ধ চলছে ট্রাম্পের এই টুইট বার্তা তাতে নতুন উস্কানি যোগ করল।

এ সপ্তাহের শুরুর দিকে কিম বলেছিলেন তার পরমাণু বোমার সুইচ সবসময় তার টেবিলে থাকে। খবর বিবিসির

ট্রাম্পের কোনরকম রাখঢাক না করে করা এই মন্তব্য সোসাল মিডিয়াতে ঝড় তুলেছে।।

ট্রাম্প একদিনে একের পর এক দ্রুত একগুচ্ছ যেসব টুইট করেছেন তার মধ্যে বিমান দুর্ঘটনা না হওয়ার জন্য কৃতিত্ব নিয়েছেন তিনি নিজে। এক ব্যঙ্গাত্বক টুইটে সবচেয়ে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত সংবাদমাধ্যমগুলোকে’ তাদের অর্জনের জন্য খেতাব দেওয়া হবে বলেছেন এবং ফিলিস্তিনিদের জন্য ত্রাণ বন্ধ করে দেবার হুমকি দিয়ে বলেছেন তারা এর প্রতি ‘কৃতজ্ঞ ও শ্রদ্ধাশীল’নয়।

ট্রাম্পের সর্বসাম্প্রতিক মন্তব্যের বক্তব্য নতুন কিছু নয় যে, যে কোন অ্যামেরিকান প্রেসিডেন্টের হাতের কাছেই পরমাণু বোমার সুইচের কোড থাকে এবং বিশ্বের সবচেয়ে বড় পরমাণু অস্ত্র ভাণ্ডারও অ্যামেরিকারই।

উত্তর কোরিয়া দাবি করে তাদের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে এবং তারা অ্যামেরিকার ওপর আঘাত হানতে সক্ষম।

বিশ্লেষকরা বিশ্বাস করেন উত্তর কোরিয়ার কাছে পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে, কিন্তু ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ায় তা ব্যবহার করার মত প্রযুক্তি তাদের আছে কীনা তা স্পষ্ট নয়।

তবে টুইটারে এই বাকযুদ্ধের মধ্যেও একটি ইতিবাচক খবর হল উত্তর কোরিয়া প্রায় দুবছর পর দক্ষিণের সঙ্গে তাদের হটলাইন আবার চালু করেছে।

কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের টুইটারে কোনরকম রাখঢাক না রেখে মন্তব্য করার অভ্যাস অতীতে পর্যবেক্ষকদের বিস্মিত করলেও, সর্বসাম্প্রতিক এই টুইট কূটনৈতিক ভাষা বা প্রেসিডেন্ট-সুলভ মন্তব্য নিয়ে নতুন করে আবার প্রশ্ন তুলেছে।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts