শরণার্থীদের জন্য ইউরোপের দরোজা খুলে দেবেন এরদোয়ান

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান
Share Button

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রেচেপ তাইয়িপ এরদোয়ান হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন যদি আর বাড়াবাড়ি করে তাহলে তিনি হাজার হাজার শরণার্থীর জন্য ইউরোপে ঢোকার সীমান্ত পথ খুলে দেবেন।

মাত্র গতকালই ইউরোপীয় পার্লামেন্ট তুরস্ককে ইইউ’র সদস্য করার আলোচনা স্থগিত রাখার সুপারিশ করার পর আজ মিস্টার এরদোয়ান এই হুঁশিয়ারি দিলেন।

গত জুলাইতে এক এক ব্যর্থ অভ্যুত্থানের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে হাজার হাজার মানুষের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান যে ব্যবস্থা নিচ্ছেন, ইউরোপীয় পার্লামেন্ট তাকে ‘মাত্রাতিরিক্ত’ বলে বর্ণনা করে।

এর জন্য তুরস্ককে সদস্য করার আলোচনা আপাতত স্থগিত রাখার সুপারিশ করে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট।

কিন্তু রেচেপ তাইয়িপ এরদোয়ান আজ এর বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

আরও পড়ুন…

‘রোহিঙ্গা মেয়েদের ধর্ষণ, ছেলেদের ধরে ধরে হত্যা’ 

উল্লেখ্য এ বছরের শুরুতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে তুরস্কের যে চুক্তি হয় তাতে সেদেশে আশ্রয় নেয়া সিরিয়ার লাখ লাখ শরণার্থীর জন্য সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হওয়ার জন্য আলোচনার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়।

সেই প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে রেচেপ তাইয়িপ এরদোয়ান বলেন, “তিরিশ থেকে ৩৫ লাখ শরণার্থীকে আমরাই খাইয়ে-পরিয়ে রেখেছি। আপনারা আপনাদের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছন।”

তিনি আরও বলেন, “আমার কথা জেনে রাখুন। আপনারা যদি এ নিয়ে আর বাড়াবাড়ি করেন, সীমান্ত খুলে দেয়া হবে, সেকথা মনে রাখবেন।”

উল্লেখ্য গত বছর থেকে ইউরোপের দিকে যে লাখ লাখ শরণার্থীর ঢল নেমেছিল সেটা থামানো সম্ভব হয় তুরস্কের সহযোগিতার ফলেই।

তুরস্ক এই শরণার্থীদের থামাতে রাজী হয় এই শর্তে যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য হওয়ার লক্ষ্যে আলোচনার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা হবে।

কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় সেরকম কোন অগ্রগতি না হওয়ায় তুরস্ক স্বভাবতই হতাশ।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts