৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট নিচ্ছে যৌনকর্মীরা

মুম্বাইয়ের যৌনপল্লীতে বাড়ছে বাংলাদেশি নারী পাচার
Share Button

গত ৮ নভেম্বর থেকে রাতারাতি বাতিল হয়েছে ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট। পরের দু’দিন ব্যঙ্ক, এটিএমও ছিল বন্ধ। ফলে হাতে টাকা থাকলেও ক্রেতারা মুশকিলে পড়েছিলেন। কেউ মুদিখানায় গিয়ে ধারে জিনিস কিনেছেন, কেউ বা ট্রেনের টিকিট কাটতে গিয়ে অস্বস্তিতে পড়েছেন— গত তিন দিনে নোট সমস্যায় বেহাল গোটা দেশ। কিন্তু প্রায় এর কোনও আঁচই পড়েনি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম যৌনপল্লি এলাকা কলকাতার সোনাগাছিতে। কারণ এখনও ৫০০, ১০০০-এর নগদ নোটের লেনদেন চলছে ওই এলাকায়। গোটা নভেম্বর মাস জুড়েই তা চালু থাকবে। শুধু কলকাতার সোনাগাছিই নয়, দক্ষিণবঙ্গ এবং উত্তরবঙ্গের সমস্ত যৌনপল্লিতেই নেওয়া হচ্ছে বাতিল হয়ে যাওয়া বড় নোট।

যৌনকর্মীদের উন্নতির জন্য কাজ করা দুর্বার মহিলা সমন্বয় কমিটির চিফ মেন্টর ভারতী দে বললেন, ‘‘আমাদের এখানে পুরোটাই নগদ লেনদেন। এই মাসটা আমরা ৫০০, ১০০০-এর সব নোট নেব। সব কাস্টমারই পুরনো নোট দিচ্ছেন। ঊষা কোঅপরেটিভ ব্যাঙ্কে সোনাগাছির প্রায় ৩০ হাজার মেয়ের অ্যাকাউন্ট আছে। ওরা সব বাতিল নোট ভাঙিয়ে দেবে বলেছে। তবে যাঁদের অ্যাকাউন্ট নেই, সংখ্যাটা যদিও খুবই কম, তারা সমস্যায় পড়তে পারে।’’

পুরনো নোট বাতিল হওয়ায় আর কোনও সমস্যায় পড়েছেন যৌনকর্মীরা? ভারতীর কথায়, ‘‘এখানে যে মেয়েরা সি গ্রেডের তাদের রেট কম। ফলে কোনও কাস্টমার ১০০০ বা ৫০০-র নোট দিলে তাদের পক্ষে ব্যালান্স ফেরত দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।’’ তবে এই সমস্যা খুব কম কর্মীর ক্ষেত্রে হচ্ছে। আর ব্যালান্স ফেরত না দিতে পারলে এখন কাস্টমাররাও খুব একটা আপত্তি করছেন না। তবে ব্যবসার শুরুতেই যৌনপল্লির কর্মীরা কাস্টমারদের কাছে খুচরোর আবেদনও রাখছেন বলে জানিয়েছেন ভারতী।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts