এক বছরে ৩ লাখ বাংলাদেশি নেবে কানাডা

এক বছরে ৩ লাখ বাংলাদেশি নেবে কানাডা

নতুন নিয়মে ২০১৬ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে ৩ লাখ ৫ হাজার পেশাজীবী কানাডায় ইমিগ্রেশনের সুযোগ পাচ্ছেন। দেশটির ১১টি প্রদেশে- হাই স্কিলড, ট্রেড স্কিলড, ফ্যামেলি স্পন্সরশিপ, বিজনেস, এক্সপ্রেস এন্ট্রি, পিএনপি, এফএসডব্লিউ, সেল্ফ অ্যাম্প্লয়েডসহ ১১টি ক্যাটাগরিতে ইমিগ্রেশনের ঘোষণা দিয়েছে কানাডিয়ান সরকার।

শুধু কানাডার কুইবেক প্রদেশেই ১০ হাজার পেশাজীবী ইমিগ্রেশন করার সুযোগ পাবেন। এক্ষেত্রে ট্রেড স্কিলড অ্যাসেসমেন্ট সার্টিফিকেট ও প্রোভিন্সিয়াল নমিনেশন ছাড়া কোনো আবেদন জমা নেয়া হয় না।
আবেদনের যোগ্যতা : আইইএলটিএস পরীক্ষায় ন্যূনতম ৪.৫ (সাড়ে চার) পয়েন্ট, যেকোনো বিষয়ে ডিপ্লোমা অথবা গ্র্যাজুয়েশন। কর্মক্ষেত্রে কমপক্ষে ২ বছরের অভিজ্ঞতা। বয়স ২১ থেকে ৫৩ বছরের মধ্যে থাকতে হবে।

বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইমিগ্রেশন আইন বিশেষজ্ঞ ও সাউথ এশিয়ান ল’ ইয়ার্স ফোরামের সভাপতি ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ (রাজু) বলেন, এটিই কানাডার সর্বশেষ ফার্স্ট-কাম-ফার্স্ট-সার্ভ পদ্ধতির ইমিগ্রেশন প্রোগ্রাম। তাছাড়াও বিভিন্ন প্রোভিন্সিয়াল প্রোগ্রামে আবেদন করে যেকেউ সহজেইএক্সপ্রেস এনিট্র প্রোফাইলে অতিরিক্ত ৬০০ পয়েন্ট যোগ করে দ্রুত কানাডায় ইমিগ্রেশন করতে পারবেন।

কানাডায় ইনভেস্টর প্রোগ্রামের আওতায় কুইবেক প্রদেশে অতি দ্রুত বিজনেস অথবা ইনভেস্ট প্রোগ্রামের মাধ্যমে পরিবার সহ স্থায়ীভাবে বসবাস এবং নাগরিকত্ব লাভের সুযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে ১.৬ মিলিয়ন ডলার ইনভেস্টকরার সামর্থ থাকতে হবে। বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও IELTS এর শর্ত শিথিলযোগ্য।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts