বনানীতে দুই ছাত্রী ধর্ষিত : অভিযুক্ত সাফাত ও সাদমান গ্রেফতার

সাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফ
Share Button

রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে অস্ত্রের মুখে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় মূলহোতাসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃতরা হলো- মামলার প্রধান আসামি আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে সাফাত আহমেদ এবং তিন নম্বর আসামি সাদমান সাকিফ।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার রফিকুল ইসলাম যুগান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে সিলেট নগরীর পাঠানটোলা এলাকার রশিদ মঞ্জিলের দ্বিতীয় তলা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) জেদান আল মুসা।

তিনি জানান, ডিএমপির একটি দল তাদের গ্রেফতার করে। পরে তাদেরকে ঢাকার উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়।

জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজ্ঞান চাকমা জানান, সিলেট জেলা পুলিশ, এসএমপি ও ডিএমপি যৌথ অভিযান চালিয়ে এ দুজনকে গ্রেফতার করে।

জানা গেছে, রশিদ মঞ্জিলের মালিক মামুনুর রশিদ নামে একজন প্রবাসী। এই ভবনে তার মা এবং একজন কেয়ারটেকার থাকেন।

কেয়ারটেকার নুরুন্নবি জানান, মামুনুর রশিদের পরিচিত নগরীর শেখঘাট এলাকার সাফাতের নানা আবদুল মতিন ওরফে পেপসি মতিন বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সাফাত ও সাকিফকে নিয়ে আসেন।

এরপর থেকে তারা দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে অবস্থান করছিল। আজ (বৃহস্পতিবার) রাত ৯টার দিকে বিপুল সংখ্যক পুলিশ বাড়ি ঘেরাও করে। পরে ওপরে উঠে তাদেরকে আটক করে নিয়ে যায় বলে তিনি জানান।

এই মামলার অন্য তিন আসামি হলো- সাফাতের আরেক বন্ধু নাঈম আশরাফ (প্রকৃত নাম হাসান মো. হালিম), সাফাতের দেহরক্ষী ও গাড়িচালক।

ধর্ষণের ঘটনার মাসখানেক পর গত ৬ মে এক তরুণী বনানী থানায় মামলা করার পর বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

মামলার এজাহারের বর্ণনা অনুযায়ী, গত ২৮ মার্চ বনানীর রেইনট্রি হোটেলে জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ডেকে নিয়ে দুই তরুণীকে অস্ত্রের মুখে ধর্ষণ করে সাফাত ও নাঈম। সাদমানসহ অন্য তিনজন ছিল সহযোগী।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts