অলস হয়েও ওজন কমাবেন যেভাবে

অলস হয়েও ওজন কমাবেন যেভাবে

প্রতিদিন কতটা পরিমাণে খাচ্ছেন সে দিকে খেয়াল রাখুন। ওজন কমাতে একগাদা না খেয়ে অল্প পরিমামে কয়েক ঘণ্টা অন্তর খান।

অসময়ে খাওয়া, রাত জেগে থাকা বা জাঙ্ক ফুডে আসক্তি। ফলে যা হওয়ার তাই হচ্ছে, দিনকে দিন বেড়েই চলেছে বেল্টের মাপ। বন্ধুদের পরামর্শ, সকাল-সন্ধেয় হাঁটা উচিত। তবেই নাকি নিয়ন্ত্রণে থাকবে আপনার ওজন। কিন্তু, তা আর হচ্ছেটা কী? তাতে যে কুঁড়ের বাদশা হিসেবে আপনার সুনামে টান পড়বে! তবে কোনও উপায় নেই? অবশ্যই আছে। দিনভর কুঁড়েমি করেও কমাতে পারেন ওজন।

 

কী করে তা জেনে নিন-

১. প্রতিদিন কতটা পরিমাণে খাচ্ছেন সে দিকে খেয়াল রাখুন। ওজন কমাতে একগাদা না খেয়ে অল্প পরিমামে কয়েক ঘণ্টা অন্তর খান।

২. খাওয়ার আগে নিয়ম করে এক গ্লাস জল খান। এতে বেশি খাওয়ার প্রবণতা কমবে। একই সঙ্গে হাইড্রেটেডও থাকবেন আপনি।

৩. যখন তখন সুগার ক্রেভিং মেটাতে বা লাঞ্চ-ডিনারের পর একগাদা মিষ্টি না খেয়ে তার বদলে এ বার থেকে এক টুকরো ডার্ক চকোলেট মুখে দিন। লো ক্যালরি হওয়ায়
আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে আর মিষ্টির ঝোঁকও মিটবে।

৪. একস্ট্রা চিজ বা মেয়োনিজ দিয়ে স্যালাড ড্রেসিং না বানিয়ে ভিনিগারেট ড্রেসিং-এর ব্যবহার করুন। বা ফ্রুট স্যালাড খান। এতে ক্যালরি ইনটেক কম হবে।

৫. অফিসের কাজের ফাঁকে ঘন ঘন ব্রেক নিন। একটানা বসে না থেকে একটু হাঁটাচলা করুন। লিফ্টের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করুন।

৬. অনেক ক্ষণ ধরে খালি পেটে থাকবেন না। কাজের চাপে লাঞ্চ না করে ডিনারে একগাদা খেয়ে ফেলাটা কিন্তু মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

৭. সারা দিনে কতটা খাচ্ছেন তা তো খেয়াল রাখেন। কিন্তু পানীয়ের কোটা মেপেছেন কখনও? বিয়ার, কোল্ড ড্রিঙ্কস, ফ্রুট জুসের মতো পানীয়ে অত্যাধিক ক্যালরি থাকে। ফলে এগুলো যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন।

৮. ঘুমোনোর ২-৩ ঘণ্টা আগে ডিনার করুন। খাওয়ার পরেই ঘুমোলে হজমের গোলমাল হয়। ঘুম আসতে চায় না। রাতে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমোতে চেষ্টা করুন। এতেই কমবে ওজন।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts