কলার এক ডজন ক্ষতিকর দিক

কলার এক ডজন ক্ষতিকর দিক
Share Button

খেতেও যেমন ভাল তেমন পুষ্টি গুণেও ভরপুর এই ফলটি। খেলে অনেকটা ক্যালরিও যায় শরীরে। পেটও ভর্তি থাকে অনেকটা সময়। তবে যতই ভাল হোক না কেন লোভে পড়ে বেশি কলা খেয়ে ফেলবেন না যেন। উপকারের মতো বেশি কলা খেলে ক্ষতির সম্ভাবনাও কিন্তু থাকে। কী কী সেগুলো? দেখে নিন:

ওজন বৃদ্ধি: মাঝারি মাপের একটি পাকা কলায় ১০৫ ক্যালরি শক্তি থাকে। তাই বেশি কলা খেলে ওজন বৃদ্ধির সম্ভাবনা প্রবল।

মাইগ্রেন: কারও যদি মাইগ্রেনের সমস্যা থাকে তা হলে তাঁদের যতটা সম্ভব কলা এড়িয়ে চলা উচিত।
কলায় টাইরামাইন নামে এক ধরনের উপাদান থাকে কলায় যা মাইগ্রেনের কারণ।

হাইপারক্যালেমিয়া: রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বেড়ে গেলে এই রোগ হয়। এই রোগে আক্রান্তরা সহজেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন।
হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন অনিয়মিত হয়ে থাকে। কলায় পটাশিয়াম থাকায় বেশি খেলে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

দাঁতের ক্ষয়: প্রচুর পরিমাণে শর্করা থাকায় বেশি কলা খেলে দাঁতের ক্ষতি হয়। এমনকী দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য কলা নাকি চকোলেটের থেকেও বেশি ক্ষতিকর।

ক্লান্তি: পাকা কলাতে ট্রিপটোফ্যান আমাইনো অ্যাসিড থাকে। এই অ্যামাইনো অ্যাসিডের প্রভাবে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা হ্রাস পায়।
দেহে ক্লান্তি আসে এবং সব সময় ঘুম পায়।

নার্ভ : ভিটামিন বি ৬ বেশি খাওয়ার প্রভাবে স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি হয়ে থাকে। কলায় এই ভিটামিনের আধিক্য আছে তাই খুব বেশি কলা খাওয়া উচিত নয়।

অ্যালার্জি : কলা অনেক সময়ই অ্যালার্জির কারণ হয়ে থাকে। ঠোঁট ফুলে যায়, গলা জ্বালা করে।

শ্বাস নিতে সমস্যা: যাঁদের শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা আছে বেশি মাত্রায় কলা খেলে তা বেড়ে যেতে পারে।

পেট ব্যথা: বাজার থেকে কেনা কলার বেশির ভাগই রাসায়নিকের সাহায্যে পাকানো হয়ে থাকে। তা ছাড়াও কলায় শর্করার পরিমাণ খুব বেশি।
এ সবের জন্য পেট ব্যথা হতে পারে।

কোষ্ঠকাঠিন্য: কলা বৃহদন্ত্রের চলনে সাহায্য করে থাকে। কিন্তু বেশি পরিমাণ কলা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা যেতে পারে।

গ্যাস : কলাতে থাকা ফ্রুক্টোজ এবং ফাইবার এক সঙ্গে গ্যাস সৃষ্টি করতে পারে।

ডায়াবেটিস: সুগারের পরিমাণ বেশি থাকায় অত্যধিক মাত্রায় কলা খেলে ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা থাকে।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts