জিনস পরছেন? তাহলে এই ৮টি বিষয় মাথায় রাখুন। না হলে কমবে ‘দাম্পত্য সুখ’

জিনস পরার ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখা উচিত।
Share Button

নানা রূপে জিনস মানুষের মন জয় করেছে কয়েক দশক আগেই। অন্য পোশাকে অভ্যস্তরাও মাঝে মধ্যেই জিনস বেছে নেন। কিন্তু জিনস পরার ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখা উচিত।

১। প্রথমেই খেয়াল রাখতে হবে জিনসটি কী কাপড়ে তৈরি। সুতির জিনসই পরা উচিত। কিন্তু অনেক সময়েই সুতির সঙ্গে টেরিকটন জিনসও বাজারে পাওয়া যায়। সেগুলি ত্বকের জন্য মোটেও ভাল নয়।

২। জিনস বেশ মোটা কাপড়ের হয়। ফলে শরীরে ঘাম হয়। কিন্তু এমন কাপড়ের জিনস হওয়া উচিত যা ঘাম শুষে নিতে পারে। না হলে স্কিনে র‌্যাশ হতে পারে।

৩। অনেকেই এক্কেবারে শরীর চাপা লো-ওয়েস্ট জিনস পরেন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, শরীরের সঙ্গে একেবারে সেঁটে থাকায় রক্ত চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। যা থেকে স্নায়ু-ঘটিত সমস্যা হতে পারে।

৪। ‘স্কিনি জিনস’ পুরুষদের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকারক। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের স্বাভাবিক ক্রিয়ায় প্রভাব ফেলে। মূত্রনালি, মূত্রথলিতে ইনফেকশন ছাড়াও অণ্ডকোষের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ভয় থাকে। চিকিৎসকরা বলেন, বীর্যধারণ ক্ষমতাও কমিয়ে দিতে পারে স্কিন টাইট জিনস।

৫। এমন জিনস পরা উচিত, যা শরীর সঙ্গে প্রবলভাবে সেঁটে থাকবে না। শরীর ও প্যান্টের মধ্যে জায়গা থাকা জরুরি। আঁটোসাঁটো জিনস কিডনিরও ক্ষতি করতে পারে।

৬। মেয়েদের ক্ষেত্রে স্কিন টাইট জিনস অত্যন্ত ক্ষতিকারক। এখন ‘লো-ওয়েস্ট’ জিনস খুব চলছে। কিন্তু গবেষণা বলছে, টাইট, স্কিনি লো-ওয়েস্ট জিনস স্নায়ু বিকল করে দিতে পারে। মাঝে মাঝ পা অবশ হয়ে যেতে পারে। টাইট জিনসের অন্যান্য সমস্যা তো আছেই।

৭। টাইট জিনস বেশি সময় পরে থাকলে যৌনাঙ্গের উপরে অস্বাভাবিক চাপ তৈরি হয়। এই ধরনের জিনস পরলে মেয়েদের বিশেষ ভঙ্গিতে পা ভাঁজ করে বসতে হয়। সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, পা ভাঁজ করে বসা শরীরের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকর।

৮। শেষের বিষয়টি সব জিনসের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সাধারণত জিনস এক নাগাড়ে অনেক দিন পরা হয়। নোংরা বোঝা না গেলেও অনেক জীবানু জমা হয় জিনসে। যা যিনি পরছেন তার জন্য যেমন ক্ষতিকারক, তেমনই ক্ষতিকারক তাঁর আশপাশে থাকা লোকেদেরও।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts