শপিং করা কি আপনার নেশা? জেনে নিন আপনি কি কোন রোগে আক্রান্ত

শপিং করা কি আপনার নেশা? জেনে নিন আপনি কি কোন রোগে আক্রান্ত
Share Button

শপিং করতে কার না ভাললাগে? কিন্তু শপিং কি আপনাকে নেশাগ্রস্ত করে দেয়? দোকানে গেলেই কিছু না কিছু কিনে ফেলেন? সত্যিই যদি শপিংয়ে আপনি অ্যাডিক্টেড হয়ে পড়েন তা হলে কিন্তু চিন্তার বিষয়। হতে পারে আপনি শপাহোলিক রোগে আক্রান্ত। কিন্তু কী ভাবে বুঝবেন আপনি আদৌ এই রোগের শিকার কি না? জানতে চোখ রাখুন গ্যালারিতে।

কিনে ব্যবহার না করা: হয়তো দোকানে গিয়ে যা পছন্দ হল কিনে নিলেন। প্রয়োজন না থাকলেও কিনে ফেললেন। কিন্তু দিনের পর দিন সেগুলো আর
আলমারি থেকে বেরই করলেন না। এই রকম অভ্যাস থাকলে সাবধান!

মন খারাপ হলেই শপিং: হ্যাঁ, এটা সত্যি যে শপিং করলে সাময়িক ভাবে মন ভাল হয়ে যায়। কিন্তু, সেই ভাললাগা নেশায় পরিণত হলেই বিপদ। আবার অনেক
সময় যাঁরা এই রোগে ভুগছেন কিছু দিন শপিং না করলেই তাঁদের মুড-অফ হয়ে যায়। এই রকম লক্ষণ দেখা দিলে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলুন।

পরিকল্পনা ছাড়াই কেনাকাটা: অনেকেই থাকেন, যাঁদের শপিংয়ের জন্য কোনও প্ল্যানের দরকার পড়ে না। এঁরা যা দেখেন তাই কিনে ফেলেন।
এই রকম সিম্পটম থাকলে আপনি শপাহোলিক রোগাক্রান্ত হতে পারেন।

উত্তেজনা বোধ করা: আপনি কি কেনাকাটা করার সময় আনন্দে খুব উত্তেজিত বোধ করেন? অথবা শপিং করার সময় নতুন একটা জিনিস
কত ক্ষণে হাতে পাবেন তা নিয়েই ভাবতে থাকেন? তা হলে জেনে রাখুন এটাও শপাহোলিক রোগেরই একটি লক্ষণ।

ঋণ করেন: যাঁরা এই রোগে আক্রান্ত হন, তাঁরা শপিং করার জন্য অন্যের কাছে টাকা ধার করতেও পিছপা হন না।

উদ্বিগ্ন বোধ করা: শপিং করতে না পারলে কি ভিতরে ভিতরে আপনি উদ্বিগ্ন বোধ করেন? আবার কিছু একটা কিনে ফেলার সঙ্গে সঙ্গেই
আপনার মুড ঠিক হয়ে যায়? এ রকমটা হলে অবশ্যই সাবধান হন আর চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

লুকিয়ে রাখেন: আপনি যে শপিংয়ে আসক্ত সেই অভ্যাসটি কি আপনি সবার কাছ থেকে লুকিয়ে রাখতে চান? অথবা অপ্রয়োজনীয় জিনিস
কিনেছেন বলে নিজেই বিব্রত বোধ করেন? শপাহোলিক রোগে আক্রান্ত হলে এমন লক্ষণ দেখা যায়।

মিথ্যা কথা বলা: আপনি কি আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধুবান্ধবের কাছে নিজের শপিং অ্যাডিকশন নিয়ে মিথ্যে কথা বলেন? বা লুকিয়ে রাখতে চান শপিংয়ের
পিছনে বিপুল টাকা খরচের কথা? তা হলে আপনার এই অভ্যাসগুলি নিয়ে আরও এক বার ভাবুন। হতে পারে আপনি শপাহোলিকের শিকার।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts