স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক মজবুত হয় পরস্পরকে কষ্ট দিলে?

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক মজবুত হয় পরস্পরকে কষ্ট দিলে?
Share Button

রাগ-অভিমান ছাড়া দাম্পত্য রসায়ন জমে না! যে দম্পতি কখনও ঝগড়া করেননি, একবারের জন্য অভিমান করেননি পরস্পরের প্রতি, সেই দম্পতিকে কি সত্যিই আদর্শ দম্পতি বলা যায়? অনেকে বলবেন হ্যাঁ, তাঁরাই আদর্শ। আবার অনেকে বলবেন না, তেমন সম্পর্ক যেন বরফের মতো শীতল, সেখানে ঠিক যেন প্রাণ নেই।

বরং রাগ-অভিমান-ঝগড়ায় মোড়া দাম্পত্যই অনেক অনেক বেশি কাম্য। ‘জামাই রাজা’ ধারাবাহিকে ঈশান ও নীলাশার মধ্যে সম্পর্কটি যেমন। সব কিছু জেনেও অবুঝ নায়িকা প্রায় জেদের বশেই ক্রমাগত কষ্ট দিয়ে চলেছে নায়ককে। ঈশানকে অপদস্থ করাই যেন তার জীবনের প্রধান লক্ষ্য। কখনও কখনও ব্যাপারটা নিজের নাক কেটে পরের যাত্রাভঙ্গের মতোই দাঁড়ায়। তবু সেই জব্দ করার চেষ্টার মধ্যেও কি প্রেম নেই?

হয়তো কিঞ্চিৎ ক্লিশে বা স্টিরিওটাইপ মনে হতে পারে। কিন্তু ধারাবাহিকের সাম্প্রতিক গল্পের ধাঁচ আবারও সেই অমোঘ প্রশ্নটি তুলছে, যা বেশিরভাগ স্বামীরই প্রশ্ন— মজা করে হোক বা গুরুগম্ভীর হয়ে— স্ত্রীরা কি স্বামীদের কষ্ট দিতে ভালবাসে? বা মাঝে-মধ্যে পরস্পরকে একটু-আধটু কষ্ট দিলে কি মজবুত হয় সম্পর্ক? অনেকটা অ্যাসিড টেস্টের মতো?

একটু বোকা বোকা শোনাচ্ছে কি কথাটা? ঠিকই, কথাটা বোকা-বোকাই। আর সেই জন্যেই মিষ্টি। যিনি কষ্ট দিচ্ছেন এবং যিনি কষ্ট পাচ্ছেন— দু’পক্ষই যেন সচেতন ভাবেই অনুভূতির ক্যাথারসিস ঘটাচ্ছেন ওই কষ্টের মধ্যে দিয়ে। আর ওই ক্যাথারসিস না ঘটলে যে আবারও প্রেমসমুদ্রে হাবুডুবু খাওয়াটা মুশকিল। ঈশান ও নীলাশার পরিণতি সেই হাবুডুবুতেই কিন্তু তার আগে অনেক কিছু সহ্য করতে হবে দু’জনকেই।

আপাতত এই সপ্তাহে অফিসে প্রেজেন্টেশনের সময় পেন ড্রাইভ বদল করে বিস্তর সমস্যা তৈরি করবে নীলাশা কিন্তু তার পরেও লাল গোলাপ নিয়ে হাজির হবে ঈশান। নীলাশার জেদ কি ভাঙবে এবার? দেখা যাক কোন দিকে এগোয় এই সপ্তাহের গল্প।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts