কারাগারে যেসব সুবিধা পাবেন ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন

ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন

মানহানির এক মামলায় গ্রেফতার সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে কারাগারে প্রথম শ্রেণির মর্যাদা দিতে কারা কর্তৃপক্ষকে দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিশেষ বার্তা মারফতে কারা কর্তৃপক্ষের কাছে আদালতের নির্দেশ পৌঁছানোর জন্য আদেশে বলা হয়েছে।

মইনুল হোসেনের সহধর্মিণী সাজু হোসেনের করা এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

মইনুল হোসেনের আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বিশেষ বার্তা মারফতে আদালতের নির্দেশ পৌঁছানোর জন্য আদেশে বলা হয়েছে।

এর অগে রোববার শুনানি শেষে এ বিষয়ে আদেশের জন্য সোমবার দিন ধার্য করেন আদালত। আদালতে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের পক্ষে শুনানি করেন ড. কামাল হোসেন ও খন্দকার মাহবুব হোসেন।

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেসুর রহমান।

গত ১৬ অক্টোবর রাতে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের টকশোতে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে জামায়াতের এজেন্ট বললে তিনি সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে উদ্দেশ করে ‘চরিত্রহীন’ বলে মন্তব্য করেন।

এ নিয়ে ফেসবুকে তার বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় ওঠে। মাসুদা ভাট্টিসহ নারী সাংবাদিকরা মইনুল হোসেনকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। ঘটনার চার দিনেও ব্যারিস্টার মইনুল প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাওয়ায় তার বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মানহানির মামলা করেন মাসুদা ভাট্টি।

মইনুল হোসেনের মন্তব্যকে নারী সমাজের জন্য অবমাননাকর দাবি করে একই অভিযোগে তার বিরুদ্ধে জামালপুরের আদালতেও মামলা করেন একজন নারী। যদিও ওই দুটি মামলায় তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেন। এ ছাড়া একই ঘটনায় কুড়িগ্রাম ও রংপুরের আদালতেও পৃথক মামলা হয়। এর মধ্যে রংপুরের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।

পরে গত ২৩ অক্টোবর মইনুল হোসেনকে আদালতে হাজির করা হলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কায়সারুল ইসলাম। এর পর সেদিন বিকালে ঢাকার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয় ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে। সেখানে মইনুলকে সাধারণ হাজতির মতো রাখা হয়।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts