রায় শুনে বদরুল যা বললেন

খাদিজা হত্যাচেষ্টা মামলা
Share Button

সিলেটে বহুল আলোচিত কলেজছাত্রী খাদিজা আক্তার নার্গিসকে হত্যাচেষ্টা মামলার একমাত্র আসামি শাবি ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত নেতা বদরুল আলমকে দণ্ডবিধির ৩২৬ ধারায় সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

বুধবার সিলেটের মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আকবর হোসেন মৃধা এই রায় ঘোষণা করেন।

এদিকে, আদালতে আলোচিত এই মামলার রায় শুনতে সকাল থেকে আদালত চত্বরে কয়েক শতাধিক সাধারণ মানুষ জড়ো হন। রায় ঘোষণার পর তারা সন্তোষ প্রকাশ করে উচ্চ আদালতেও এই রায় বহাল থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন। আলোচিত এই ঘটনার পাঁচ মাস ৫ দিনের মাথায় বিচার কার্যক্রম শেষে আদালত থেকে এই রায় এলো।

রায় ঘোষণার সময় আদালতের কাঠগড়ায় আসামি বদরুল উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতের কাঠগড়ায় চুপচাপ থাকলেও কারাগারে নেয়ার সময় আদালত চত্বরে বদরুল জয় বাংলা স্লোগান দেন। তিনি বলেন, এই রায়ে আমার কিছুই হবে।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মহানগর ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মফুর আলী সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, আর্ন্তজাতিক নারী দিবসে এ রায় নারীদের অধিকার ও সুরক্ষায় ভূমিকা রাখবে।

তবে আসামি বদরুলের আইনজীবী মো. সাজ্জাদুর রহমান চৌধুরী বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে আমার মক্কেল ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। আমরা রায়ের নকল তোলার পরপরই উচ্চ আদালতে আপিল করবো।

খাদিজার ওপর হামলার ভয়াবহতা বুঝাতে মামলার ৩৩ নম্বর সাক্ষী স্কয়ার হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক রেজউস সাত্তারের সাক্ষ্যের ব্যাখা দিয়ে আদালত বলেন, আসামি খাদিজার শরীরের ১০টি স্থানে ধারালো অস্ত্র দিযে মারত্মক জখম করেছেন। এর মধ্যে তার মাথার ডান পাশের খুলির একটি অংশ ভাঙা পান চিকিৎসকরা। পরে তারা একাধিক অপারেশনের মাধ্যমে মাথার খুলির ওই অংশ প্রতিস্থাপন করেছেন।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts