আমার মাঝে কোনো দুর্বলতা নেই : নিজামী

nizami

আপিল বিভাগের চূড়ান্ত রায়ে জামায়াতের আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী বলেছেন, ‘জীবন-মৃত্যুর মালিক আল্লাহ। তিনিই আমার মৃত্যুর জন্য যে সময় ও স্থান নির্ধারণ করে রেখেছেন ঠিক সে সময় এবং সে স্থানেই আমার মৃত্যু হবে। তার আগেও নয়, পরেও নয়। আমার মাঝে কোনো দুর্বলতা নেই। আমি কোনো অন্যায় করিনি। তিনি বলেন, সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য সরকার আমাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। আল্লাহ যদি আমাকে শহিদী মৃত্যু দেন তাহলে সেটা হবে আমার চরম সৌভাগ্য। আমি আমার পরিবার, সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের ধৈর্য্য ধারণ করার আহ্বান জানাচ্ছি। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।’

শনিবার তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাতে এসব কথা বলেন।

এদিকে শুক্রবার রাতে সংগঠনটি কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে একথা জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, শুক্রবার নিজামীর পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে সাক্ষাৎ করেছেন। তিনি পরিবারের সদস্যদের জানিয়েছেন, ‘আল্লাহ ছাড়া কারও কাছে ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই আসে না।’

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার নেসার আলম শুক্রবার সন্ধ্যায় বলেন, মতিউর রহমান নিজামীকে এখনও ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়নি। তাকে এখানে আনার পর এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ জানা যাবে। এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই নিজামীর দণ্ড কার্যকর করা হবে। সরকার রায় কার্যকর নিয়ে তাড়াহুড়া করবে না।

সাক্ষাৎ শেষে পরিবারের সদস্যরা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, নিজামী মানসিকভাবে অত্যন্ত মজবুত এবং দৃঢ় আছেন। মৃত্যুদণ্ডের আদেশে তিনি মোটেই বিচলিত নন।’

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক যুগান্তরকে জানান, বেলা সোয়া ১১টার দিকে মতিউর রহমান নিজামীর পরিবারের ৬ সদস্য কারাগারে পৌঁছেন। পরে বেলা ১১টা ২৫ মিনিটে তারা কারাগারে যান। প্রায় ৪০ মিনিট ভেতরে অবস্থান করেন তারা। পরে কারাগারে যান তার ভাগিনা শাহাদাৎ হোসেন, বাকীবিল্লাহ, জামাতা রওশন আলী ও নাতি ঈমনসহ ৪ জন। দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে তারা কারাগার থেকে বের হয়ে যান। ওই কারাগারের একটি কক্ষে তারা নিজামীর সঙ্গে কথা বলেন।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts