বিদআতের পরিনাম ভয়াবহ

ড. মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বাশার
Share Button

১. রাসূল সা, বলেছেন,বিদআত সর্ব নিকৃষ্ট কাজ,(মুসলিম)।

২. রাসূল সা, বলেছেন, যে ব্যক্তি বিদআত তৈরি করে অথবা বিদআতিকে সহযোগিতা করে, তার উপর আল্লাহ, ফেরেস্তাকুল ও মানব মণ্ডলীর অভিশাপ, (বুখারী)।

৩. রাসূল সা, বলেছেন, আল্লাহ বিদআতির রোজা, নামাজ, সাদাকাহ, হাজ্জ, ওমরাহ, জিহাদ এবং তার ভাল কোন আমলই কবুল করেন না, যতক্ষণ না সে বিদআত পরিত্যাগ করে। সে দ্বীন থেকে বেরিয়ে যায়, যেমনি ভাবে খামির থেকে চুল বেরিয়ে যায়, (ইবনু মাযাহ)।

৪. রাসূল সা, বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন বিদআতিকে সম্মান করবে, সে দ্বীন ধবংসের কাজে সাহায্য করলো, (বায়হাকী)।

৫. আব্দুল্ললাহ ইবনু ওমর রা, বলেন- বিদআতিকে আমার পক্ষ থেকে সালাম পৌছাবে না,( ইবনু মাজাহ)।

৬. সুফইয়ান সাওরি র, বলেন- শয়তানের নিকট অন্যান্য গুনাহের চেয়ে বিদআত বেশি পছন্দনীয়, কেননা গুনাহগার তাওবা করে, কিন্তু বিদআতি তাওবাহ করে না,( শাতেবী)।

৭. ইমাম মালেক র, বলেন- যে ব্যক্তি বিদআত তৈরি করারর পর এটাকে উত্তম মনে করে, সে ধারণা করলো, রাসূল সা, রিসালাত অপূর্ণ রেখে গেছেন, (ই’ তিসাম)।

৮. লাইস বিন সাদ র, বলেন, যদি তুমি দেখ কেউ পানির উপর হাটছে, অথবা আকাশে উড়ে বেড়াচ্ছে, ধোকায় পড়ে যেওনা। আগে দেখে নাও সে কুরআন সুন্নাহ মোতাবেক চলে কিনা,( ইবনু কাসির)।

তাই বলছি- হে আল্লাহর প্রিয় বান্দাগণ, বিদআত ও বিদআতি লোকদের ব্যাপারে সাবধান।

-ড. মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বাশার

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts