২০১৮ অলিম্পিকে রাশিয়া নিষিদ্ধ

অলিম্পিকে রাশিয়া নিষিদ্ধ
Share Button

২০১৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য শীতকালীন অলিম্পিকে রাশিয়াকে নিষিদ্ধ ঘোষনা করেছে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি)। ডোপিং কেলেঙ্কারি তথা সরকারি মদদে খেলোয়াড়দের ডোপিং বা বলবর্ধক ওষুধ সেবন করায় দেশটির বিপক্ষে এমন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

এক বিবৃতিতে আইওসি জানায়, দক্ষিন কোরিয়ার পিয়ংচ্যাং এ আসন্ন অলিম্পিক গেমসে রাশিয়ান অলিম্পিক কমিটিকে (আরওসি) বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে ‘কঠোর শর্তাধীনে’ রাশিয়ার অ্যাথলেটরা আসরে অংশগ্রহণ করতে পারবে। অলিম্পিক গেমসের মর্যাদা রক্ষার্থে এটি এক অভূতপূর্ব সিদ্ধান্ত।

২০১৪ সালে রাশিয়ার বিরুদ্ধে অলিম্পিকে এই নিয়ে অভিযোগ ওঠে।ওই আসরে ৩৩ পদক জিতে সেরা হইয়েছিল রাশিয়া। তার এক-তৃতীয়াংশ পদক সন্দেহজনক বলে দাবি।এরপরই তদন্তে নামে আইওসি। টানা ১৭ মাসের তদন্ত শেষে কমিটি জানায়, ডোপিং বিরোধী আইনের মারাত্মক ব্যত্যয় ঘটেছে।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে, আইওসি’র প্রেসিডেন্ট টমাস বাখ মাত্র ০৩(তিন)মাস পরে অনুষ্ঠেয় শীতকালীন অলিম্পিক আসর থেকে রাশিয়াকে নিষিদ্ধ করেন। তবে,যেসব খেলোয়াড় নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করতে পারবেন, তাঁরা ‘নিরপেক্ষভাবে’ অলিম্পিকে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন বলেও জানিয়েছে অলিম্পিকের সর্বোচ্চ এই সংস্থাটি।

পাশাপাশি, রাশিয়ার ক্রীড়া মন্ত্রী ভিতালি মুটকো এবং সহকারি মন্ত্রী ইউরি নাগরনিককেও আজীবনের জন্য অলিম্পিক গেমসে নিষিদ্ধ করা হয়। আরওসি’র প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার যুকভকেও আইওসি সদস্য হিসেবে বরখাস্ত করা হয়।আগামী ২০২২ সালের অলিম্পিক কমিটির দায়িত্ব থেকেও সরিয়ে দেয়া হয়েছে রাশিয়ানদের।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে এক প্রতিবেদনে ওয়ার্ল্ড এন্টি ডোপিং এজেন্সি (ডব্লিওএডিএ) জানায়, রাশিয়ার এক হাজারও বেশি অ্যাথলেটের বিরুদ্ধে ডোপিং নেয়ার অভিযোগ রাষ্ট্রীয়ভাবে গোপন করা হয়েছে বলে অভিযোগ জানানো হয়।

অন্যদিকে, এ ঘটনায় রাশিয়া ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। এই নিষেধাজ্ঞাকে মানহানিকর এবং অপমানজনক, উল্লেখ করে। এছাড়াও প্রয়োজনে আপিলে যাবে বলে সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

২০১৮ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ কোরিয়ায় শীতকালীন এ অলিম্পিক শুরু হবে।

রিপোর্ট করেছেনঃ জাহিদুল ইসলাম, ঢাকা (Zahid150891@gmail.com)

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts