আইপিএলকে স্রেফ তামাশা বললেন ভারতের সাবেক ক্রীড়ামন্ত্রী

আইপিএল এবারের আসরে কোন দলে কোন তারকা
Share Button

আইপিএলের কঠোর সমালোচনা করলেন ভারতের সাবেক ক্রীড়ামন্ত্রী এম এস গিল। তার মতে, আইপিএল আসর স্রেফ তামাশা। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) দেশের জনগণকে ক্রিকেট খাদক হিসেবে বিশ্বের সামনে তুলে ধরছে বলেও অভিযোগ করেন এম এস গিল।

এবারের আসরের আইপিএলের মহারাষ্ট্রের ম্যাচগুলো সরিয়ে নিয়ে বিসিসিআইকে সাধারণ জনগণের প্রতি কৃপার অনুরোধও তিনি রাখেন।

বৃহস্পতিবার পিটিআইকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন গিল। ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০০৯ সালের মে পর্যন্ত ইউনিয়ন ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে পাঞ্জাব থেকে রাজ্যসভায় প্রতিনিধিত্ব করছেন।

সম্প্রতি মুম্বাই হাইকোর্ট পানি সঙ্কটে থাকা মহারাষ্ট্রে কেন ক্রিকেট মাঠে পানির অপচয় করা হবেÑ এ-সংক্রান্ত রুল জারি করেছেন। হাইকোর্টের রুলের প্রক্রিয়ায় বিসিসিআইয়ের কর্মকাণ্ডের প্রচণ্ড ক্ষোভ প্রকাশ করেন এম এস গিল।

তিনি বলেন, ‘মহারাষ্ট্রের পানির সঙ্কট চরমে পৌঁছেছে। মাত্র কয়েক দিন পর খাওয়ার জন্য অনেকে এক গ্লাস পানি সহজে জোগাড় করতে পারবেন না।

এ অবস্থায় বিবিসিআই আইপিএলের ম্যাচগুলো মহারাষ্ট্র থেকে সরিয়ে নিচ্ছে জানতে পারলেই খুশি হতাম। কিন্তু তা ঘটেনি।

মূলত ক্রিকেট এখন আর কোনো ক্রীড়া নয়। খেলাটিকে বাণিজ্যিক বস্তুতে পরিণত করেছে বিসিসিআই। ১২ মাসই খেলা হচ্ছে। এটি মোটেও ভালো নয় পরবর্তী প্রজন্মের জন্য।

ভারতীয় জনগণকে ক্রিকেটের খাদক বানিয়ে ফেলছে বিসিসিআই।’

ইউনিয়ন ক্রীড়ামন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের আগে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্বও পালন করেন এম এস গিল ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত। তার মতে, দ্রততম সময়েই মহারাষ্ট্রের আইপিএল ম্যাচগুলো সরিয়ে নেয়ার ঘোষণা দেয়া উচিত বিসিসিআইয়ের।

গিল বলেন, ‘হরিয়ানা বা পাঞ্জাব কিংবা উত্তর প্রদেশে হতে পারে মহারাষ্ট্রের ম্যাচগুলো। তবে আসল কথা হচ্ছে আইপিএল ক্রিকেটের কোনো অংশ নয়, স্রেফ তামাশা! যুদ্ধের জন্য রোমানরা গ্ল্যাডিয়েটরস দিয়েছিল বিশ্বকে। এখন বিসিসিআই ভারতীয় জনগণকে আইপিএল নামের তামাশা উপহার দিয়েছে।

আইপিএলে ক্রিকেটের প্রকৃত স্পিরিটের অংশ নেয়, স্রেফ অর্থ কামানোর মাধ্যম! এবারের আইপিএলের ২০টি ম্যাচ মহারাষ্ট্রের মুম্বাই, পুনে ও নাগপুরে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে রাজ্যটি সম্প্রতি স্মরণকালের সবচেয়ে কঠিন পানি সঙ্কটে পড়েছে। কিন্তু বিবিসিআই এখনো ম্যাচ সরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।- নয়া দিগন্ত অনলাইন

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts