আমার ভুলে ভারতের কাছে হেরেছিলাম: মাহমুদুল্লাহ

আমরা দেশকে আরো ওপরে নিয়ে যাব : মাহমুদুল্লাহ
Share Button

টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে এক রানের হারের দায় নিলেন বাংলাদেশের অল রাউন্ডার মাহমুদুল্লাহ। জয়ের জন্য দুই বলে মাত্র ২ রান দরকার ছিল বাংলাদেশের। স্ট্রাইকে ছিলেন মাহমুদুল্লাহ। ফুল টস বলে ছক্কা হাঁকানোর জন্য মিড উইকেট দিয়ে উড়িয়ে মেরেছিলেন তিনি। কিন্তু বাউন্ডারিতে বল তালুবন্দী হয়ে যায়। একইভাবে আগের বলে মুশফিকুর রহিম আউট হয়েছিলেন। শেষ বলে মুস্তাফিজকে রান আউট করেন ধোনি। এক রানে হেরে যায় বাংলাদেশ।

মাহমুদুল্লাহ ওই্ ম্যাচে হারের প্রসঙ্গে বলেন, ‘যা ঘটেছিল, তা কি আমি ভুলতে পারি? মুশফিক এবং আমি ক্রিজে আছি আর ৩ বলে ২ রান দরকার এমন ম্যাচে আমরা হারতে পারি, তা কখনোই ভাবিনি।’

তিনি আরো বলেন, ‘সত্যিই বলছি, আমি বিশ্বাস করতে পারিনি যে দুটি চার মারার পর মুশফিক আউট হতে পারে। তারপর আমিও আউট হয়ে গেলাম। এটা আমার ভুল ছিল। ভারতের মাটিতে ভারতকে হারানো বড় একটা সুযোগ ছিল। কিন্তু আমরা পারলাম না। এটা আমাদের সবার জন্য হৃদয়ভাঙ্গা বেদনা।’

মাহমুদুল্লাহ নিজেকে ক্ষমা করতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন। ভবিষ্যতে কখনোই তিনি এমন ঝুঁকি নিবেন না। তিনি বলেন, ‘শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত আমার আশা ছিল যে শেষ বলে আমরা অন্তত একটা রান নিতে পারব। এটা হয়নি, আর ভুলটা আমারই ছিল। আমি জয় নিশ্চিত করতে চেয়েছিলাম। সুযোগও ছিল, কিন্তু কাজে লাগাতে পারিনি। আমি এমন একটি বল মিস করলাম, যেটি নিশ্চিত ছয় হয়। আমি আর কখনো সেটা ফিরে পাব না, আর করেও দেখাতে পারব না। ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতিতে পড়লে আগে আমি দলকে নিরাপদে নিব।’

গত এক বছরে ভারতের বিপক্ষের ম্যাচটি মাহমুদুল্লাহর জন্য একটি কলঙ্ক। ২০১৫ সালে ওয়ানডেতে চমৎকার পারফরম্যান্স করেছিলেন তিনি। প্রথম বাংলাদেশী ব্যাটসম্যান হিসেবে বিশ্বকাপে টানা দুটি সেঞ্চুরি করেছিলেন। দলকে তুলে দিয়েছিলেন কোয়ার্টার ফাইনালে।

টি২০তেও সফলতার ধারা বজায় রেখেছিলেন। শেষের ওভারগুলোতে বাংলাদেশের হার্ডহিটারের তকমা পেয়েছিলেন। টি২০র ১৪ ইনিংসে ১৩৯.৫৯ স্ট্রাইক রেটে ২৭৫ রান করেছেন।

এশিয়া কাপে আরব আমিরাত, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের বিপক্ষে তার অপরাজিত ইনিংসেরে সুবাদে বাংলাদেশ ফাইনালে উঠেছিল। বর্তমানে তার ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ডিভিশন ক্রিকেটে শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাব প্রথম সুযোগ পেয়ে মাহমুদুল্লাহকে দলে নিয়েছে। মাশরাফি, মুশফিক, তামিম ইকবালকে বাদ দিয়ে তাকেই সবার আগে দলে নিয়েছে ক্লাবটি। মাহমুদুল্লাহর অসামান্য কৃতিত্বেই বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) তৃতীয় আসরে রানার্স-আপ হয়েছিল বরিশাল।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts