আশরাফুল আমিরকে দেখে আত্মবিশ্বাস পাচ্ছেন

আশরাফুল আমিরকে দেখে আত্মবিশ্বাস পাচ্ছেন

বাংলাদেশের ক্রিকেটে একটি উজ্জ্বল নাম মোহাম্মদ আশরাফুল। ম্যাচ পাতানো কেলেংকারীতে জড়িয়ে দেশের ক্রিকেটের অন্ধকার যুগের শুরুও আবার তার হাতে। তার দীর্ঘ নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে চলতি বছরের ১৩ আগস্ট। আর এরপরই মাঠে ফেরার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। আর এক্ষেত্রে তাকে আশাবাদী করছেন মোহাম্মদ আমির।

পাকিস্তানি এ পেসার যে ম্যাচ পাতানোর নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেই ঝলক দেখাচ্ছেন!

নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে ভারতের পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আশরাফুল বলেন, ‘সময়টি আমার জন্য সহজ ছিল না। ১৩ আগস্ট আমার নিষেধাজ্ঞার সময় শেষ হবে; তারপর আবার নতুন যুদ্ধ শুরু হবে। মানুষকে আবার বিশ্বাস করাতে শুরু করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি সুখী যে অন্তত ক্লাব ক্রিকেটে আমি খেলতে পারবো। কিন্তু আমি প্রত্যাশা করছি যে, ঢাকা মেট্রোপলিটনের হয়ে আবার প্রথম শ্রেণীর ক্যারিয়ার শুরু করতে পারবো।’

প্রত্যাবর্তন যে সহজ হবে না তা জানিয়ে এ তারকা ব্যাটসম্যান বলেন, ‘এতে কোনো সন্দেহ নেই যে ফিরে আসার ক্ষেত্রে আমার বিশ্বস্ততা প্রশ্নের মুখে পড়বে। ড্রেসিং রুমের পরিবেশ যথাযথ কারণেই স্বাভাবিক থাকবে না। কারণ আমি আমি একটি ভুল করেছি, তাতে আমার পথচলার ক্ষেত্রে বিশ্বস্ততাটাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।’

৩২ বছর বয়সী এ ক্রিকেটার ৬১টি টেস্ট, ১৭৭টি ওয়ানডে ও ২৩টি টি২০ ম্যাচ খেলেছেন বাংলাদেশের পক্ষে। জাতীয় দলে ফেরার ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই আমি খেলার সামর্থ্য রাখি। তবে সময় এখন আমার পক্ষে না।

কিন্তু একটি ঘরোয়া মৌসুম আমাকে অনেক সাহায্য করতে পারে। তবে সেটি বিসিবির হাতে। নির্বাচক ও খেলোয়াড়রা আমাকে বিশ্বাস করতেও পারে আবার নাও করতে পারে।’

আশরাফুল বলেন, ‘আমিরের সফল প্রত্যাবর্তন আমাকে অনেক আশা জোগায়। সেজন্য আমি নিয়মিত প্রশিক্ষণ করছি, রুটিন মানছি।’

তিনি বলেন, ‘আমি সমর্থকদের বলবো তারা যেন আমাকে বিশ্বাস করে। কারণ আমি কোন পরিস্থিতি অতিক্রম করছি তা আমি জানি। আর আমার সামনে যে পরীক্ষা আসছে তা কঠিন হলেও এড়ানোর সুযোগ নেই।’

ক্রিকেটের বাইরের সময়গুলোর ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘এ সময়ে আমি কিছু ভাল বন্ধু পেয়েছি। যারা আমার পাশে সবসময় ছিল। তারা আমাকে ছেড়ে যায়নি কঠিন সময়েও।’
তিনি বলেন, ‘সম্প্রতি আমি বিয়ে করেছি। আমার বউ আমাকে সহযোগিতা করছে।’

নিজের উপার্জনের বিষয়ে আশরাফুল বলেন, ‘আমি একটি রেস্টুরেন্ট দিযেছি, ওটি আমার উপার্জনের মাধ্যম। কারণ পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে আমি অন্য কোনো চাকরি নেইনি।’
তরুণদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমার যা হয়েছে তা আর কখনো করো না হয়।

আমার অভিজ্ঞতা দিয়ে তরুণদের সাহায্য করতে চাই। খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকার উপদেশ দিতে চাই।’

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts

Leave a Comment