এশিয়া কাপের ফাইনালে টাইগাররা

এশিয়া কাপের ফাইনালে টাইগাররা

হারলে ছিল ‘যদি-কিন্তু’র বেড়াজাল। তবে সব ‘যদি-কিন্তু’ উড়িয়ে দিয়ে টানা তৃতীয় জয়ে দ্বিতীয়বারের মতো এশিয়া কাপের ফাইনাল নিশ্চিত করলো টাইগাররা।

যে পাকিস্তানের কাছে হেরে ২০১২ সালে এশিয়া কাপের শিরোপার স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল বাংলাদেশের, সেই পাকিস্তানকে হারিয়েই এবার এশিয়া কাপের ফাইনাল নিশ্চিত করলো মাশরাফি বাহিনী।

পাকিস্তান, শ্রীলংকা ও আরব আমিরাতকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করলো টাইগাররা। আগামী রোববার শিরোপা লড়াইয়ে তাদের মুখোমুখি হবে ভারত। অবশ্য প্রথম ম্যাচে ধোনিদের কাছে হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে মাশরাফিদের।

বুধবার হোম অব ক্রিকেট মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে নিজেদের চতুর্থ ও শেষ ম্যাচে পাকিস্তানের দেয়া ১৩০ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেট ও ৫ বল হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় টাইগাররা।

তবে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই তামিম ইকবালের উইকেট হারিয়ে হোঁচট খায় বাংলাদেশ। দলীয় ১৩ রানে ইরফানের বলে লেগ বিফোর হয়ে সাজঘরে ফেরেন তামিম ইকবাল। দলীয় ৪৬ রানে আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেন অনফর্ম সাব্বির রহমান (১৪)।

এরপর সৌম্য সরকার-মুশফিকুর রহিম জুটির ব্যাটিং দৃঢ়তায় ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। এ জুটির ব্যাট থেকে ৩১ বলে আসে ৩৭ রান।

দলীয় ৮৩ রানে অর্ধশতক থেকে মাত্র ২ রান পিছিয়ে থাকা সৌম্য সরকার মোহাম্মদ আমেরের বলে বোল্ড হন। দলীয় ৮৮ রানে শোয়েব মালিকের বল রিভার্স সুইপ করতে গেলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন মুশফিকুর রহিম।

এরপর দলীয় ১০৪ রানে আমেরের বলে স্কুপ করতে গিয়ে বোল্ড হন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। এতে কিছুটা চাপে পড়ে টাইগাররা।

তবে মাহমুদল্লা রিয়াদ ও মাশরাফি বিন মুর্তজা দলের জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়েন। মাহমুদুল্লাহ ১৫ বলে ২২ আর মাশরাফি ৭ বলে ১২ রানে অপরাজিত ছিলেন।

সৌম্য সরকার তার ৪৮ বলে ৪৮ রানের দৃষ্টিনন্দন ইনিংসের জন্য ম্যাচসেরা পুরস্কার পান।

এর আগে সন্ধ্যায় টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১২৯ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান।

ম্যাচের শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমে আরাফাত সানি, আল আমিন, তাসকিনদের বোলিং তোপে বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান। ২৮ রানেই ঝরে পড়ে তাদের ৪ উইকেট।

তবে দলের অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান শোয়েব মালিক এবং সরফরাজ একাই লড়ে যান বড় স্কোর গড়তে। তাদের লড়াকু ইনিংসের কারণেই শেষ পর্যন্ত ১২৯ রানের সম্মানজনক স্কোর গড়ে পাকিস্তান।

সরফরাজ করেন ৪২ বলে হার না মানা ৫৮ রান। আর শোয়েব মালিক করেন ৩৫ বলে ৪১ রান।

বাংলাদেশের পক্ষে আল আমিন ২৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন। আরাফাত সানি নেন ২ উইকেট। আর সবচেয়ে কম, মাত্র ১৪ রান দিয়ে তাসকিন নেন ১ উইকেট। মাশরাফির ঝুলিতে যায় অন্য উইকেটটি।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts

Leave a Comment