ওয়ানডে ক্রিকেট বাচাঁতে আইসিসির মহাপরিকল্পনা

ICC plan for odi
Share Button

একদিকে সহযোগি দেশগুলোর ক্রমাগত অভিযোগ, তাদেরকে খেলার সুযোগ দেয়া হচ্ছে কম। অপরদিকে টি-টোয়েন্টির জনপ্রিয়তার আড়ালে ঢেকে যাচ্ছে ওয়ানডে এবং টেস্ট ক্রিকেটের আসল সৌন্দর্য। অথচ, ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা আইসিসি চায় সমানতালেই তিন ফরম্যাটের ক্রিকেটকে জনপ্রিয় করে তুলতে। এ কারণে তারা বড় ধরনের একটি পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নামছে। আইসিসির টেস্ট খেলুড়েদেশগুলোর সঙ্গে তিনটি সহযোগি দেশ নিয়ে তিন বছরব্যাপি লিগ আযোজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি।

আইসিসি যে পরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছে, তাতে ২০১৯ বিশ্বকাপের পরই শুরু হতে পারে এই লিগ। আইসিসির টেস্ট খেলুড়ে ১০ দেশের সঙ্গে এই লিগে অংশ নেবে আইসিসির দুই সহযোগি আয়ারল্যান্ড এবং আফগানিস্তান। সঙ্গে তৃতীয় দল হিসেবে বাছাই করে নেয়া হবে আরেকটিকে। তবে সম্ভাবনা রয়েছে নেপালকে সঙ্গে নেয়ার।

পরিকল্পনা অনুযায়ী তিন বছরে হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিতে প্রত্যেকে প্রত্যেকের সঙ্গে ৩টি করে ম্যাচ খেলবে। তাতে তিন বছরেরর সাইকেলে প্রতিটি দল খেলার সুযোগ পাবে ৩৬টি করে ম্যাচ। লিগের শেষ দিকে এসে পয়েন্টের শীর্ষে থাকা দুটি দল চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য একটি প্লে-অফ সিরিজ খেলবে।

তিন বছর এই লিগ চলার পর চতুর্থ বছর এসে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপ। এই লিগের ফলে বিশ্বকাপের জন্য আলাদাকরে বাছাই পর্ব আয়োজনের প্রয়োজন হবে না। আবার লিগের ১২টি দল পরবর্তী লিগে সরাসরি খেলার সুযোগ পাবে। ১৩তম দলের রেলিগেশন হবে। ওয়ার্ল্ড সুপার লিগে (আইসিসির দ্বিতীয় সারির লিগ)। ওখান একটি একটি উঠে আসবে এই লিগে।

ওয়ানডে ক্রিকেটকে আরও জনপ্রিয়, সহযোগি দেশগুলোকে আরও বেশি বেশি সুযোগ দেয়ার লক্ষ্যেই নতুন করে এই আয়োজন করতে যাচ্ছে আইসিসি। দেখা যাক, আইসিসির এই পরিকল্পনা কতটা উদ্দেশ্য সফল করতে পারে।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts