কেমন হবে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের পিচ?

Share Button

কেমন হবে হায়দরাবাদের পিচ? ক্রিকেটের ওয়েবসাইট ক্রিকইনফো জানাচ্ছে, আর দশটা ভারতীয় উইকেটের মতো, মন্থর হবে। শুরুতেই ব্যাটিং করাটা সহজ হবে। কিন্তু ম্যাচের বয়স যত বাড়বে ততই স্পিন ধরবে। আর আগামী কটা দিন রৌদ্রোজ্জ্বল থাকারই আভাস।

আজ ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে উইকেট নিয়ে মুশফিকুর রহিমও বললেন একই কথা, ‘টার্নিং উইকেট মনে হয়েছে এটি। শক্ত উইকেট। ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো মনে হচ্ছে। শুরুতে পেসাররা কিছুটা সুবিধা পেতে পারে। তবে তৃতীয় কিংবা দ্বিতীয় দিনে বল ঘুরবে। উইকেট দারুণ। এখন নির্ভর করছে আপনি কীভাবে খেলেন।’
পরিসংখ্যানও বলছে, হায়দরাবাদের উইকেট স্পিনারদের স্বর্গ। এখানে খেলা আগের তিন টেস্ট মোট উইকেট পড়েছে ৮৭টি। এর মধ্যে স্পিনাররা নিয়েছে ৫৮টি আর পেসাররা ২৬টি। প্রায় ৬৭ শতাংশ উইকেটই স্পিনারদের মুঠোয়। বাংলাদেশ-ভারতের মোড়কে তাই খণ্ড লড়াই হবে অশ্বিন-জাদেজাদের সঙ্গে সাকিব-মিরাজদেরও।

তবে কি পেসারদের জন্য কিছু নেই এই উইকেটে? আছে। ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিং অর্ডারের বিপক্ষে সাফল্য পেতে কামরুল-তাসকিনদের একটি উপায় বাতলে দিলেন মুশফিক, ‘নিউজিল্যান্ডে পেসাররা ভালো বোলিং করেছে। যতই ভালো বোলিং করুক, জিততে হলে উইকেটও পেতে হবে। তাদের কাছে আমার চাওয়া আরও বেশি। আশা করি এখানে তারা আরও ভালো করবে। এটা ঠিক, স্পিনাররা বড় ভূমিকা রাখবে এখানে। যে বল দিয়ে খেলা হবে, সেটাতে রিভার্স সুইং করা সম্ভব। এটা করতে পারলে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের সমস্যায় ফেলা সম্ভব।’

দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে ভারত এমন উইকেট বানিয়েছিল, প্রথম দিন থেকেই যেন ধুলো উড়ছিল। উইকেট ছিল স্পিন বিষে ভরা, যেখানে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদেরও ব্যাটিং করতে ধুঁকতে হয়েছে। বাংলাদেশও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট জিতেছিল এমন স্পিন উইকেট বানিয়ে। দুই দলের এই সাম্প্রতিক অতীত বলছে, এবার উইকেট অতটা স্পিন-বিষে ভরা থাকবে না।
মুশফিকের কথা শুনেও মনে হচ্ছে, তুলনামূলক স্পোর্টিং উইকেটই থাকছে। তবে তাতেও যে স্পিনারদের মুখে হাসি ফুটবে, সে আর বলতে! হাসিটা কার চওড়া হয়, সেটাই এখন দেখার।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts