নাসরিনের সঙ্গে সমঝোতা হয়নি, আরাফাত সানির জামিন বাতিল হচ্ছে!

আরাফাত সানি ও তার প্রেমিকা
Share Button

জাতীয় দলের ক্রিকেটার আরাফাত সানির জামিনের মেয়াদ বাড়িয়েছেন আদালত।

সোমবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলায় হাজিরা দিয়ে জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করেন সানি।

শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. জাহিদুল কবির এ আদেশ দেন।

অপরদিকে মামলার বাদী জামিনের বিরোধিতা করলে আদালত জামিন বাতিল শুনানির জন্য ৭ জুন দিন ধার্য করেন।

জানতে চাইলে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি তাপস কুমার পাল যুগান্তরকে বলেন, ‘মামলার বাদী নাসরিন সুলতানা এদিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তিনি আরাফাত সানির জামিনের বিরোধিতা করেন। আদালতকে তিনি জানান- তাদের মধ্যে কোনো সমঝোতা হয়নি। মামলাটি তুলে নেয়ার জন্য আরাফাত সানি তার ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে আরাফাত সানির জামিন বাতিল শুনানি আগামী ধার্য তারিখে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন আদালত।’

আদালত সূত্র জানায়, সাত বছর আগে পরিচয়ের সূত্র ধরে আরাফাত সানি ও নাসরিনের ঘনিষ্টতা হয়। ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর অভিভাবকদের না জানিয়ে তারা বিয়ে করেন।

বিয়ের তিন বছরেও সানি ওই তরুণীকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘরে তুলে নেয়নি। ২০১৬ সালের ১২ জুন রাতে নাসরিন সুলতানা নামের একটি ভুয়া ফেসবুক আইডি থেকে আসল ফেসবুক আইডিতে মেসেঞ্জারে সানি ও ওই তরুণীর অন্তরঙ্গ কিছু ছবি পাঠানো হয়।

এ পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ওই তরুণী।

মামলায় ২২ জানুয়ারি সানিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওইদিনই তার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এরপর ২৪ জানুয়ারি রিমান্ড শেষে সানিকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এদিকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় রিমান্ড চলাকালীন ২৩ জানুয়ারি সানির বিরুদ্ধে যৌতুক আইনের ৪ ধারায় আরেকটি মামলা করেন ওই তরুণী।

এরপর ২০ লাখ টাকা যৌতুকের জন্য মারধরের অভিযোগে ১ ফেব্রুয়ারি আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে ঢাকার চার নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আরেকটি মামলা করেন একই তরুণী।

এসব মামলায় অর্ধশত দিন কারাগারে কাটানোর পর ওই তরুণীর অনাপত্তিতে ১৫ মার্চ জামিনে মুক্ত হন আরাফাত সানি।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts