নাসিরের কাছেও হেরে গেলেন মাশরাফি

নাসিরের কাছেও হেরে গেলেন মাশরাফি
Share Button

দারুণ উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে শেষ বলের রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে জয় পেয়েছে প্রাইম দোলেশ্বর। নাসির হোসেনের অনবদ্য ৯৭ রানের ওপর ভর করে মাশরাফির কলাবাগানকে ৫ রানে হারিয়েছে তারা। ফলে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে টানা দ্বিতীয় জয় পেল দলটি। অপরদিকে টানা দুই ম্যাচ হেরে কোণঠাসা কলাবাগান ক্রীড়া চক্র।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য ৯ রানের প্রয়োজন ছিল কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের। আল-আমিনের করা প্রথম তিন বলে এক রান নেন মেহরাব। শেষ তিন বলে দুই রান নিতে গিয়ে তিন ব্যাটসম্যান রান আউটের ফাঁদে পড়েন। ১টি করে রান নিতে পারলেও প্রতি বলেই আউট হয়ে ফিরে যান মেহরাব, দেওয়ান সাব্বির ও মাশরাফি। এ যেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচেরই প্রতিচিত্র। ওই ম্যাচে ছিল ক্যাচ আউট, এই ম্যাচে রানআউট।

প্রাইম দোলেশ্বের দেওয়া ২৮৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাটিং করতে নেমে দারুণ সূচনা পায় কলাবাগান ক্রীড়া চক্র। উদ্বোধনী জুটিতে ৫৭ রান করেন সাদমান ইসলাম ও জসীম উদ্দিন। তবে এরপর দ্রুতই তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে তারা। তবে চতুর্থ উইকেট জুটিতে মেহরাব হোসেন জুনিয়রকে নিয়ে ৫৮ রানের জুটি গড়ে সে চাপ সামলে নেন তাসামুল হক। ৫৯ বলে ৪৪ রান করেন তাসামুল।

তার বিদায়ের পর দ্রুতই আউট হয়ে যান আব্দুর রাজ্জাক। ফলে আবার চাপে পড়ে যায় তারা। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে তানভীর হায়দারকে নিয়ে ১০৪ রানের দারুণ এক জুটি গড়েন মেহরাব। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮৬ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। ৮৭ বলে ৯টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে এ রান করেন মেহরাব। শেষ দিকে মাশরাফি ১১ বলে ১৫ রান করেন।

এর আগে ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাব। ব্যাটিংয়ে নেমে দলীয় ২৫ রানে রনি তালুকদারকে হারিয়ে চাপে পড়ে তারা। তবে রকিবুল হাসানকে সঙ্গে নিয়ে দলের চাপ সামলে নেন আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান ইমতিয়াজ হোসেন। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৮৫ রান সংগ্রহ করেন তারা দু’জন।

দলীয় ১১০ রানে রকিবুল আউট হবার পর ৩৩ রান যোগ করতে আরও তিন উইকেট হারিয়ে আবারও চাপে পড়ে তারা। তবে পঞ্চম উইকেট জুটিতে ফরহাদ রেজাকে সঙ্গে নিয়ে সে চাপ সামলে নেন নাসির হোসেন। ১০৯ রানের জুটি গড়ে দলকে বড় সংগ্রহ এনে দেন এ দুই ব্যাটসম্যান।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৯৭ রান করেন নাসির হোসেন। ৭৫ বল মোকাবেলা করে ১১টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে এ রান করেন তিনি। এছাড়া ৩৮ বলে ২টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ৪৭ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন ফরহাদ রেজা। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে আট উইকেটে ২৮৭ রান সংগ্রহ করে তারা।

কলাবাগানের পক্ষে ৫০ রানে ৩টি উইকেট নেনে মাশরাফি। এছাড়া দেওয়ান সাব্বির ও রাজ্জাক ২টি করে উইকেট পান।

 

লেখাটি পছন্দ হলে প্লিজ Share করুন

এ সম্পর্কিত আরও সংবাদ :

Related posts